শিবগঞ্জ ইউএনওকে জড়িয়ে অপপ্রচার হেতু কি
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টির পাশাপাশি উঠেছে সমালোচনার ঝড়।স্থানীয় সুত্র বলছে,
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ইজারাগ্রহীতা কর্ণখালি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির ইজারা ইতিমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে সচেতন মহলের অনেকেই বলছে, সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্য ব্যতিত রাস্ট্রের উচ্চ পদস্থ দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তাকে জড়িয়ে এমন বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও সাংবাদিকতা নীতিমালা পরিপন্থী এবং অনৈতিক।
তারা বলছে এমন বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করে তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করা হয়েছে।
জানা গেছে,সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম
ও ফেসবুক পেইজে শিবগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের (ইউপি) দানিয়ালগাছি মৌজার সরকারি পুকুর থেকে মাটি কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর, অসত্য, মনগড়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানহানিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে এর হেতু কি ?
প্রকাশিত সংবাদে উপজেলা প্রশাসনের অসাধু সহযোগিতা এবং পরোক্ষ সম্মতির যে ইঙ্গিতের কথা
বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও মানহানিকর।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সব সময়ই সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং যেকোনো ধরণের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে কাজ করে আসছে। দানিয়াল গাছি মৌজার খতিয়ান নং-১ ও দাগ নং-১৭১ এর সরকারি পুকুরে অবৈধভাবে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন
জানার পর পরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
এই ঘটনার সঙ্গে ইউএনও বা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নূন্যতম কোনো সম্পৃক্ততা নাই। অথচ একটি মহল বা গোষ্ঠী সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অথবা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই ইউএনও’র ছবি ব্যবহার করে এসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, যা স্পষ্টত সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী এবং চরম মানহানিকর।
এবিষয়ে জানতে চাইলে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, সরকারি সম্পদ বিনষ্টকারী বা অবৈধ মাটি উত্তোলনকারী চক্র যত শক্তিশালীই হোক না কেনো, তাদের সঙ্গে প্রশাসনের আপস করার কোনো সুযোগ নেই। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্ত এবং নেপথ্যের মদদদাতাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি সাধারণ জনগণকে এ ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরণের মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন।অন্যথায় আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বলেও তিনি জানান।এছাড়াও এই অসত্য ও বানোয়াট প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 












