ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ধরমপুরে জমকালো আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টে চারঘাটের আক্রমণ ঠেকিয়ে পুঠিয়ার জয় কুষ্টিয়ায় এডুকেয়ারে স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন, চারা বিতরণ ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত  রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ ফুলবাড়ীর দিকে তাকালেই তারা কয়লা ছাড়া কিছুই দেখে না -অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ তানোরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে দুর্গাপুরের জয় দশমিনায় সচেতন নাগরিক সমাজপর উদ্যোগে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। থানা ঘেরাও এর ঘোষনা নাগরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গোলাম মোস্তফা গোলামের মতবিনিময় ‎অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভেড়ামারায় লাল পতাকা পুতে প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ‎ পোরশায় পুনর্ভবা নদীতে অবৈধ সুতি জালের দাপটে বিপাকে মৎস্যজীবীরা

দৌলতপুরে মাদক মামলায় ছয়জনের যাবজ্জীবন

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।

যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন— কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার জামালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে হাবু (৩৮), উপজেলার ধর্মদহ গ্রামের দবির কসাইয়ের ছেলে বাবলু (৪৩), রমজানের ছেলে মুসলাম (৪০), লিয়াকতের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪০), সিরাজের ছেলে বকুল (৩৮), মমিনের ছেলে জাইদুল (৩৩)। তাদের মধ্যে বাবলুু, মুসলাম ও বকুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পরপরই পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয় উপস্থিত আসামিদের।

এ মামলায় অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় লালু, লালন ও রিপনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৪ মে বিকালে দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ গ্রামের বেলতলা মাঠে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটা টিম মাদক বিরোধী অভিযানে গেলে আসামিরা পালিয়ে যায়। এসময় পানের বরজ সংলগ্ন একটি গর্ত থেকে ৫টি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা মোট ৬৭১ বোতল ফেনসিডিল ও ১০টি সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৪৬ কেজি গাজা উদ্ধার করে গোয়েন্দা শাখা। এ ঘটনায় সেদিনই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ২৩ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) টেবিল ৩(খ)/৭ (ক) ধারার অধীনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, মাদক মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ৬ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ধরমপুরে জমকালো আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

দৌলতপুরে মাদক মামলায় ছয়জনের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০৯:৩২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।

যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন— কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার জামালপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে হাবু (৩৮), উপজেলার ধর্মদহ গ্রামের দবির কসাইয়ের ছেলে বাবলু (৪৩), রমজানের ছেলে মুসলাম (৪০), লিয়াকতের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪০), সিরাজের ছেলে বকুল (৩৮), মমিনের ছেলে জাইদুল (৩৩)। তাদের মধ্যে বাবলুু, মুসলাম ও বকুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পরপরই পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয় উপস্থিত আসামিদের।

এ মামলায় অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় লালু, লালন ও রিপনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৪ মে বিকালে দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ গ্রামের বেলতলা মাঠে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটা টিম মাদক বিরোধী অভিযানে গেলে আসামিরা পালিয়ে যায়। এসময় পানের বরজ সংলগ্ন একটি গর্ত থেকে ৫টি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা মোট ৬৭১ বোতল ফেনসিডিল ও ১০টি সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৪৬ কেজি গাজা উদ্ধার করে গোয়েন্দা শাখা। এ ঘটনায় সেদিনই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ২৩ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) টেবিল ৩(খ)/৭ (ক) ধারার অধীনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, মাদক মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ৬ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।