ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার মৌলীবাজার মডেলনথানার ওসি সাইফুলের উক্তি ১৯ সালে ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি হলে ও থানার অফিসার ইনচার্জ ভাগ্যে জোটেছে২৫ সালে এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ায় মানবপাচারের দম্পতি গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন

শজিমেক জরুরি বিভাগের সামনে ইমারজেন্সি গেটে আন্ডারপাস নির্মান দাবিতে মানববন্ধন

শজিমেক জরুরি বিভাগের সামনে ইমারজেন্সি গেটে আন্ডারপাস নির্মান দাবিতে মানববন্ধন

(বগুড়া)  প্রতিনিধি:   বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের (শজিমেক) জরুরি বিভাগের সামনে দ্বিতীয় আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। দুপুর ১২টায় শজিমেক’র সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ছিলিমপুর, চককান পাড়া শাকপালা, মালগ্রামসহ স্থানীয় বাসিন্দা এবং শজিমেক হাসপাতাল সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করেন। কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক তরিকুল ইসলাম আলমগীর, মাহবুব হাসান লিমন, জাকির হোসেন বেবি, জহুরুল ইসলাম পলাশ, ইমদাদুল হক, সাইফুর রহমান সেতু, বাকিরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ গেট বরাবর আন্ডারপাস তৈরি করার মাধ্যমে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা থাকলেও হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে মহাসড়ক পারাপারের কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে দক্ষিণ বগুড়ার বিভিন্ন থানা থেকে আগত রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স সহজে হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবে না। যদি কলেজ গেট দিয়েই চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কলেজ স্টাফসহ রোগীর লোকজন ও অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত করে তাহলে কলেজ এবং হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্নতা সহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি সবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে তারা উল্লেখ করেন। অপরদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট থেকে কলেজ গেটের দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের অপর পাশে ওষুধের দোকান, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হোটেলসহ রোগীদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের প্রায় তিনশটি দোকান রয়েছে। যদি লোক পারাপারের সুব্যবস্থা না থাকে তাহলে দোকানগুলোর মালিক ও কর্মচারীসহ তাদের পরিবারের প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লোকের জীবন জীবিকা বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে অসহায় ও স্বল্প পুজির ব্যবসায়ীদের আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে হবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে সাধারণ রোগী, রোগীর স্বজন, গ্রামবাসী, চিকিৎসা প্রত্যাশী সাধারণ মানুষ, ও ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে জরুরী বিভাগের গেটে রাস্তা পারাপারের জন্য আন্ডারপাস নির্মানের দাবি জানান তারা।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শজিমেক জরুরি বিভাগের সামনে ইমারজেন্সি গেটে আন্ডারপাস নির্মান দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৭:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

শজিমেক জরুরি বিভাগের সামনে ইমারজেন্সি গেটে আন্ডারপাস নির্মান দাবিতে মানববন্ধন

(বগুড়া)  প্রতিনিধি:   বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের (শজিমেক) জরুরি বিভাগের সামনে দ্বিতীয় আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। দুপুর ১২টায় শজিমেক’র সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ছিলিমপুর, চককান পাড়া শাকপালা, মালগ্রামসহ স্থানীয় বাসিন্দা এবং শজিমেক হাসপাতাল সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করেন। কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক তরিকুল ইসলাম আলমগীর, মাহবুব হাসান লিমন, জাকির হোসেন বেবি, জহুরুল ইসলাম পলাশ, ইমদাদুল হক, সাইফুর রহমান সেতু, বাকিরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ গেট বরাবর আন্ডারপাস তৈরি করার মাধ্যমে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা থাকলেও হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে মহাসড়ক পারাপারের কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে দক্ষিণ বগুড়ার বিভিন্ন থানা থেকে আগত রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স সহজে হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবে না। যদি কলেজ গেট দিয়েই চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কলেজ স্টাফসহ রোগীর লোকজন ও অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত করে তাহলে কলেজ এবং হাসপাতালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্নতা সহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি সবার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে তারা উল্লেখ করেন। অপরদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট থেকে কলেজ গেটের দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের অপর পাশে ওষুধের দোকান, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হোটেলসহ রোগীদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের প্রায় তিনশটি দোকান রয়েছে। যদি লোক পারাপারের সুব্যবস্থা না থাকে তাহলে দোকানগুলোর মালিক ও কর্মচারীসহ তাদের পরিবারের প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লোকের জীবন জীবিকা বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে অসহায় ও স্বল্প পুজির ব্যবসায়ীদের আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে হবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে সাধারণ রোগী, রোগীর স্বজন, গ্রামবাসী, চিকিৎসা প্রত্যাশী সাধারণ মানুষ, ও ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে জরুরী বিভাগের গেটে রাস্তা পারাপারের জন্য আন্ডারপাস নির্মানের দাবি জানান তারা।