ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক

ভেড়ামারায় সরকারি বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ

ভেড়ামারায় সরকারি বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ

 

হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া  কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলায় হালিমা মাধ্যমিক একাডেমি মাধ্যমিক  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে সরকারি বিনা মূল্যের বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভেড়ামারা পৌরসভায় অবস্থিত হালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ মাধ্যমিক স্তরের বই ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের খবর পেয়ে ১৫ জানুয়ারি ভাঙ্গারি দোকানদার আলম কাছে জিজ্ঞাসা বাদে বই বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। ভাঙ্গারি দোকানদার আলম বলেন, ১৩ জানুয়ারি হালিমা বেগম মাধ্যমিক একাডেমি মাধ্যমিক  বিদ্যালয় এর শিক্ষক সিরাজ স্যারের উপস্থিতিতে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রায় ৩৯৮ কেজি বই আমার কাছে বিক্রি করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ জানুয়ারি ২০২৫ স্কুল ছুটির পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম সংরক্ষিত কয়েক বছরের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের প্রায় ৪০০ কেজি বই গোপনে বিক্রি করে দেন। আলম নামে স্থানীয় এক ওই ক্রেতা  ফেরিওয়ালা ১৫ টাকা কেজি দরে বইগুলো কিনে নেন। বই বিক্রির অভিযোগের প্রসঙ্গে হালিমা বেগম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি স্কুলের শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে বিক্রি করে দিয়েছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যারের কাছে আমরা  জানাইনি। কোন টেন্ডার এর মাধ্যমেও বিক্রি করা হয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক আহমেদ বলেন, সরকারি বই বিক্রি করা অপরাধ। তারা যদি পুরাতন  বই বিক্রি করতে চায় তাহলে সরকারি কিছু নিয়ম-কানুন আছে সেই নিয়ম মেনে করতে হবে।  তবে সরকারি  বই বিক্রয়ের  বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু বলেনি। সরকারি নিয়মের বাইরে যদি হালিমা বেগম একাডেমীর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  পুরাতন সরকারি  বই বিক্রয় করে তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি বই বিক্রি করতে গেলে  সরকারি নিয়ম অনুসারে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। তারা যদি নিয়ম না মেনে সরকারি বই বিক্রি করে থাকে প্রমাণ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন অনুযায়ী  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন

ভেড়ামারায় সরকারি বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৬:০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

ভেড়ামারায় সরকারি বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ

 

হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া  কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলায় হালিমা মাধ্যমিক একাডেমি মাধ্যমিক  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে সরকারি বিনা মূল্যের বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভেড়ামারা পৌরসভায় অবস্থিত হালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ মাধ্যমিক স্তরের বই ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের খবর পেয়ে ১৫ জানুয়ারি ভাঙ্গারি দোকানদার আলম কাছে জিজ্ঞাসা বাদে বই বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। ভাঙ্গারি দোকানদার আলম বলেন, ১৩ জানুয়ারি হালিমা বেগম মাধ্যমিক একাডেমি মাধ্যমিক  বিদ্যালয় এর শিক্ষক সিরাজ স্যারের উপস্থিতিতে ১৫ টাকা কেজি দরে প্রায় ৩৯৮ কেজি বই আমার কাছে বিক্রি করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ জানুয়ারি ২০২৫ স্কুল ছুটির পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম সংরক্ষিত কয়েক বছরের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের প্রায় ৪০০ কেজি বই গোপনে বিক্রি করে দেন। আলম নামে স্থানীয় এক ওই ক্রেতা  ফেরিওয়ালা ১৫ টাকা কেজি দরে বইগুলো কিনে নেন। বই বিক্রির অভিযোগের প্রসঙ্গে হালিমা বেগম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি স্কুলের শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে বিক্রি করে দিয়েছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যারের কাছে আমরা  জানাইনি। কোন টেন্ডার এর মাধ্যমেও বিক্রি করা হয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক আহমেদ বলেন, সরকারি বই বিক্রি করা অপরাধ। তারা যদি পুরাতন  বই বিক্রি করতে চায় তাহলে সরকারি কিছু নিয়ম-কানুন আছে সেই নিয়ম মেনে করতে হবে।  তবে সরকারি  বই বিক্রয়ের  বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু বলেনি। সরকারি নিয়মের বাইরে যদি হালিমা বেগম একাডেমীর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  পুরাতন সরকারি  বই বিক্রয় করে তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি বই বিক্রি করতে গেলে  সরকারি নিয়ম অনুসারে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। তারা যদি নিয়ম না মেনে সরকারি বই বিক্রি করে থাকে প্রমাণ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন অনুযায়ী  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।