ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

ঘোড়াঘাটে প্রতিরক্ষা কলোনীর জমি জটিলতা নিয়ে এমএফআরও’র প্রেস ব্রিফিং

ঘোড়াঘাটে প্রতিরক্ষা কলোনীর জমি জটিলতা নিয়ে এমএফআরও’র প্রেস ব্রিফিং

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অবস্থিত ৫টি প্রতিরক্ষা কলোনীর জমি নিয়ে চলমান জটিলতা সম্পর্কে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সংস্থা এফএমআরও এর প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট ) দুপুরে ওসমানপুর সেনা ক্যাম্পে রংপুর এরিয়া সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ও এমএফআরও এর আয়োজনে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রিফিং এ মেজর নাজমুল হক সাংবাদিকদের জানান, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের কল্যাণে ৫ একর করে ৫টি কলোনীর মোট ১৩৭৫ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বরাদ্দপ্রাপ্তদের নামে ১৯৬২ সালে এসএ রেকর্ড প্রস্তুত হওয়ায় কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ কেউ দেশত্যাগ বা মৃত্যুবরণ করায় অনেক খালি জমি পড়ে থাকে। খালি জমি কিছুকিছু স্বার্থান্বেষী মহল জাল দলিল তৈরি করে বিক্রি ও হস্তান্তর করছে।

মেজর নাজমুল হক বলেন, “মহাজের পরিবারের সদস্যদের ৯৯ বছরের লিজ দেওয়ার কারণে জমির মালিকানা ও রেকর্ড সংক্রান্ত জটিলতা আরও বেড়েছে। তবে এমএফআরও ইতোমধ্যেই আদালতে মামলা পরিচালনা এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও রেকর্ড সংশোধনের জন্য আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ পর্যন্ত ১৩৭৫ একরের মধ্যে ৪৭১ একর জমি এমএফআরও’র নামে রেকর্ড হয়েছে এবং বাকি জমির রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

মেজর নাজমুল হক আরও জানান, গত ১৫ মে ও ১২ জুলাই ২০২৫ তারিখে ৫টি কলোনীবাসী মানববন্ধন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। “তাদের বেশিরভাগ অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট,” বলেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি সবাইকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

এ সময় ২৫ বীর সাপোর্ট ব্যাটেলিয়নের মেজর ফারাবী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (এনএনও) রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ, সরকারি কৌঁসুলি এ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম, মিডিয়াকর্মী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

ঘোড়াঘাটে প্রতিরক্ষা কলোনীর জমি জটিলতা নিয়ে এমএফআরও’র প্রেস ব্রিফিং

আপডেট টাইম : ০৭:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

ঘোড়াঘাটে প্রতিরক্ষা কলোনীর জমি জটিলতা নিয়ে এমএফআরও’র প্রেস ব্রিফিং

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অবস্থিত ৫টি প্রতিরক্ষা কলোনীর জমি নিয়ে চলমান জটিলতা সম্পর্কে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সংস্থা এফএমআরও এর প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট ) দুপুরে ওসমানপুর সেনা ক্যাম্পে রংপুর এরিয়া সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ও এমএফআরও এর আয়োজনে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রিফিং এ মেজর নাজমুল হক সাংবাদিকদের জানান, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের কল্যাণে ৫ একর করে ৫টি কলোনীর মোট ১৩৭৫ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বরাদ্দপ্রাপ্তদের নামে ১৯৬২ সালে এসএ রেকর্ড প্রস্তুত হওয়ায় কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ কেউ দেশত্যাগ বা মৃত্যুবরণ করায় অনেক খালি জমি পড়ে থাকে। খালি জমি কিছুকিছু স্বার্থান্বেষী মহল জাল দলিল তৈরি করে বিক্রি ও হস্তান্তর করছে।

মেজর নাজমুল হক বলেন, “মহাজের পরিবারের সদস্যদের ৯৯ বছরের লিজ দেওয়ার কারণে জমির মালিকানা ও রেকর্ড সংক্রান্ত জটিলতা আরও বেড়েছে। তবে এমএফআরও ইতোমধ্যেই আদালতে মামলা পরিচালনা এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও রেকর্ড সংশোধনের জন্য আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ পর্যন্ত ১৩৭৫ একরের মধ্যে ৪৭১ একর জমি এমএফআরও’র নামে রেকর্ড হয়েছে এবং বাকি জমির রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

মেজর নাজমুল হক আরও জানান, গত ১৫ মে ও ১২ জুলাই ২০২৫ তারিখে ৫টি কলোনীবাসী মানববন্ধন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। “তাদের বেশিরভাগ অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট,” বলেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি সবাইকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

এ সময় ২৫ বীর সাপোর্ট ব্যাটেলিয়নের মেজর ফারাবী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (এনএনও) রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ, সরকারি কৌঁসুলি এ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম, মিডিয়াকর্মী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।