হেলাল উদ্দিন,দৌলতপুর(কুষ্টিয়া): কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
তারা সবাই বিএনপি সমর্থিত বলে জানা গেছে।
শনিবার(২৩ মে) দুপুরে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,পূর্ব শত্রুতার জেরে ছাতারপাড়া গ্রামের স্হানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হলে বজলু মালিথার ছেলে বকুল মালিথা গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে বকুল মালিথা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এসময় একই বংশের রইচ মালিথার ছেলে সুমন মালিথা ও আখের মালিথার ছেলে আকালি মালিথা আহত হয় এবং অপর গ্রুপের আব্দুল হান্নান মন্ডলের স্ত্রী কদবানু গুরুতর আহত অবস্থায় দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে গুরুতর আহত বকুলের চাচাতো বোন জানান, কর্নেল, শোভন সহ তার পক্ষে লোকজন রামদা, রড, হাসুয়া নিয়ে আমাদের লোকজনের উপর দুপুরের দিকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ও কুপিয়ে মর্মান্তিক জখম করে এসময় ঘটনাস্থলেই আমার চাচাতো ভাইসহ আমাদের আরো দুইজন অহত হয়। আমরা সঠিক তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে অপর পক্ষের অভিযুক্ত কর্নেলের স্ত্রী শারমিন সুলতানা তার স্বামীসহ পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ছাতারপাড়া ফসলী মাঠে আমাদের নিজ নামীয় সেচপাম্পে তালা বদ্ধ করে দেয় মালিথা বংশের লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে তারা আমাদের উপর চড়াও হয় এবং কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাদের উপর হামলা করে। এসময় আমার শাশুড়ি কদবানু গুরুতর আহত হয়ে পড়ে। আজ চার দিন হতে চললো মালিথা বংশের লোকজন আমাদেরকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। আমরা আইনের মাধ্যমে এর সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
এবিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। বর্তমান ঐএলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 













