ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গোদাগাড়ীতে মাদকসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড যমুনাপারের মানুষের জীবনগাথা নিয়ে আসছে নাটক ‘নতুন স্বপ্নের তরী’ মহাদেবপুর মোমিনপুর কাঁচা মরিচের হাটে মাসে বিক্রি হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা   তিন জেলার সীমান্ত করতোয়া নদীর চরে জুয়ার আসর -যৌথ অভিযান ছাড়া ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল হোতারা ভেড়ামারায় পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১ ‎ ভেড়ামারায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন রাজশাহী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদককে ঘিরে ষড়যন্ত্র, কল রেকর্ড কাটছাট করে অপপ্রচার! ‎ ‎অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি: ভেড়ামারায় ‘পাবনা সুইটস’কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ‎ভেড়ামারায় বিএনপির পার্টি অফিস ভাঙচুর ‎ সাবেক মেম্বারকে প্রাণনাশের হুমকি টাকা ছিনতাই ‎ তানোর স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ 

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গোদাগাড়ীতে মাদকসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার

আপডেট টাইম : ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১

পটুয়াখালীতে রিক্সাচালকদের জন্য সাজিয়ে রেখেছেন ইফতার


শম্ভু সাহা পটুয়াখালী প্রতিনিধি: রাস্তার পাসেই সাজানো থাকে ইফতার। রোযাদার কিক্সাচালকরা যে যার মতো করে তুলে নিচ্ছেন ইফতারের প্যাকেট । পটুয়াখালী সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে প্যাকেটগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রেখে দাড়িয়ে আছেন পটুয়াখালীবাসী সংগঠনের ৬ জন সদস্য।

আজ রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ খাবার প্যাকেট দেয়া হবে। গত তিন দিন থেকে ইফতারি দেয়া হচ্ছে। এভাবে আজও দেয়া হবে।

দেখা যায় , বিকেল ৪ টার দিকে ৫০ টি প্যাকেট তৈরির কাজ শুরু করে সংগঠনের সদস্যরা । বিকেল ৫ টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজের সামনের সড়কে ইফতারির প্যাকেট সাজিয়ে দেয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে রিক্সা চালক গেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় রোজা আছেন কিনা। রোযা থাকলে এক প্যাকেট ইফতার ও ১ টি পানির বোতল নিয়ে যান । ইফতারের প্রত্যিক প্যাকেটে রয়েছে বুট, মুড়ি, পিয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, খেজুর ও জিলাপি ও সাথে একটি পানির বোতল। এ সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন পটুয়াখালী বাসী নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পটুয়াখালী বাসী সংগঠনের সভাপতি রায়হান আহমেদ বলেন, করোনার মধ্যে হোটেল বন্ধ রোজাদার রিস্কাচালকরা কোথায় ইফতার করবে একথা ভেবে আমারা এ আয়োজন করি। প্রতিদিন ৫০ টি ইফতারের প্যাকেট রোযাদার রিক্সা চালকদেও মাঝে বিতরন করি আমরা । আজকেও বিতরন করা হবে।

বিত্তবানদের সহায়তায় এ কার্যক্রম করা হয়। আমরা ৬ জন খাবার প্যাকেট করে সার্কিট হাউজের সামনের রাস্তায় সাজিয়ে রেখে দেই। রিক্সা চালক ছারা আর কেউ যাতে খাবার নিতে না পারে সেজন্য আমরা দাড়িয়ে থাকি। অনেক সংগঠনই খাবার দেয়ার সময় ছবি তোলে। কিন্তু রিক্সা চালকরা খাবার নেয়ার সময় এখানে কোন ছবি তোলা হয় না।

রিস্কা চালক রহিম বলেন, আমি রিক্সা চালিয়ে যে টাকা আয় হয় তাতে ভালো ইফতারি কিনে ইফতার করতে পারিনা। বিগত বছর গুলোতে বিভিন্ন মসজিদে ইফতার করতাম। এবছর করোনার কারনে মসজিদে মানুষে ইফতারি দেয়না হোটেনও বন্ধ। যারা এই আয়োজন করছে তাদের জন্য ইফতারি করে দোয়া করবো।