ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মদনের ধলাই নদী দখল করে ফসলে মাঠ, খননের দাবী এলাকাবাসী

নুরুল হক রুনু,মদন (নেত্রকোণা): নেত্রকোণার মদন উপজেলার হাওরাঞ্চলের খড় স্রোতা ধলাই নদী, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পলি- মাটি জমে নাব‍্যতা হারিয়ে ফসলের মাঠে পরিণত হয়েছে। সরকার এই নদীর পানি প্রবাহ চলমান রাখার জন‍্য নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণ করেও ফাল্গুন চৈত্র মাসে এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোকজন নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরায়, শুকিয়ে যায় নদী।

এর ফলে নদীতে পানি না থাকায়, নদী নির্ভর প্রায় অর্ধশত সেচ পাম্প পানির অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে। প্রকৃতি সময় মত বৃষ্টি না দিলে, খরার কবলে পরে, হাজার,হাজার একর বোর জমির ফসল নষ্ট হয়। নদীর উভয় পারের জমির মালিকেরা নিজেদের দখলনুযায়ী নদীর তলদেশ পযর্ন্ত ধানে আবাদ করে ফসলের মাঠ হিসাবে ব‍্যবহার করছে। নদী হারিয়েছে তার আপন গতি। স্থানীয় প্রশাসনের নদীর দখল মুক্ত করার নেই কোন কার্যকর উদ‍্যোগ।

ধলাই নদীর দুটি শাখা ফতেপুর ফেরিঘাটের, মগড়া নদীর মোহনা হতে প্রবাহিত হয়ে একটি শাখা প্রায় ৪ কি: মি: অতিক্রম করে দড়িবিন্নী গ্রামের পাশ দিয়ে মগড়া নদীতে মিলিত হয়েছে। অপর শাখাটি ফতেপূর দেওয়ান পাড়ার সামনে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ১০/১২ টি গ্রামের মধ্য দিয়ে একে বেঁকে প্রায় ২০ কি: মি: অতিক্রম করে কৈজানি নদীতে মিশেছে।

এলাকাবাসীর সাথে রোববার কথা বলে জানা যায়, এক সময় ধলাই নদী দিয়ে লঞ্চ, কার্গো, পালতোলা নৌকা সহ বড় ট্রলার যাতায়াত করতো।বতর্মান প্রজন্মের নিকট এ সব এখন রূপকথা। উপজেলার ফতেপুর, তিয়শ্রী ও নায়েক পুর এই তিনটি হাওরাঞ্চল বেষ্টিত ইউনিয়নে মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এই ধলাই নদীটি জরুরী ভিত্তিতে খনন করে,প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ সহ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছে জনপ্রতিনিধি সহ এলাকাবাসির।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মদনের ধলাই নদী দখল করে ফসলে মাঠ, খননের দাবী এলাকাবাসী

আপডেট টাইম : ০৭:১৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মার্চ ২০২১

নুরুল হক রুনু,মদন (নেত্রকোণা): নেত্রকোণার মদন উপজেলার হাওরাঞ্চলের খড় স্রোতা ধলাই নদী, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পলি- মাটি জমে নাব‍্যতা হারিয়ে ফসলের মাঠে পরিণত হয়েছে। সরকার এই নদীর পানি প্রবাহ চলমান রাখার জন‍্য নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণ করেও ফাল্গুন চৈত্র মাসে এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোকজন নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরায়, শুকিয়ে যায় নদী।

এর ফলে নদীতে পানি না থাকায়, নদী নির্ভর প্রায় অর্ধশত সেচ পাম্প পানির অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে। প্রকৃতি সময় মত বৃষ্টি না দিলে, খরার কবলে পরে, হাজার,হাজার একর বোর জমির ফসল নষ্ট হয়। নদীর উভয় পারের জমির মালিকেরা নিজেদের দখলনুযায়ী নদীর তলদেশ পযর্ন্ত ধানে আবাদ করে ফসলের মাঠ হিসাবে ব‍্যবহার করছে। নদী হারিয়েছে তার আপন গতি। স্থানীয় প্রশাসনের নদীর দখল মুক্ত করার নেই কোন কার্যকর উদ‍্যোগ।

ধলাই নদীর দুটি শাখা ফতেপুর ফেরিঘাটের, মগড়া নদীর মোহনা হতে প্রবাহিত হয়ে একটি শাখা প্রায় ৪ কি: মি: অতিক্রম করে দড়িবিন্নী গ্রামের পাশ দিয়ে মগড়া নদীতে মিলিত হয়েছে। অপর শাখাটি ফতেপূর দেওয়ান পাড়ার সামনে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ১০/১২ টি গ্রামের মধ্য দিয়ে একে বেঁকে প্রায় ২০ কি: মি: অতিক্রম করে কৈজানি নদীতে মিশেছে।

এলাকাবাসীর সাথে রোববার কথা বলে জানা যায়, এক সময় ধলাই নদী দিয়ে লঞ্চ, কার্গো, পালতোলা নৌকা সহ বড় ট্রলার যাতায়াত করতো।বতর্মান প্রজন্মের নিকট এ সব এখন রূপকথা। উপজেলার ফতেপুর, তিয়শ্রী ও নায়েক পুর এই তিনটি হাওরাঞ্চল বেষ্টিত ইউনিয়নে মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এই ধলাই নদীটি জরুরী ভিত্তিতে খনন করে,প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ সহ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছে জনপ্রতিনিধি সহ এলাকাবাসির।