ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে বাস-আলগামন সংঘর্ষে চালক নিহত,আহত একাধিক ভেড়ামারায় ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রেজা আহমেদ বাচ্চু ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুর সাদ্দামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু একই জানাজায় পাশাপাশি কবরে শায়িত বাবা-ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্ধ মিল থেকে চলছে চাউল সংগ্রহ অভিযান রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতির সুস্থতায় দোয়া মাহফিল প্রতিবন্ধীর কষ্ট দেখে বাড়ালেন সাহায্যের হাত: হুইলচেয়ার উপহার দিলেন ছাত্রদল আহ্বায়ক বন্যাকবলিত মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দৌলতপুরে ৭০ পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কুষ্টিয়ায় অন্ধ প্রতিবন্ধি অঞ্জনা পরিবারের পাশে ও মুখে হাসি ফোটাতে চান

বিশেষ প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া: যার চোখের আলো নেই তার কাছে পৃথিবীটা
কেবল একদলা নিকষ কালো আঁধার। সেই আঁধারের মাঝে যেন এক চিলতে আলো কুষ্টিয়ার মেয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী অঞ্জনা রানী হালদার। অন্ধত্বকে জয় করে তিনি অর্জন করেছেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। সঙ্গীত সাধনাতেও পিছিয়ে নেই প্রতিবন্ধী।

অভাবের সংসারে জন্ম নেয়া এই অঞ্জনা আজ সকলের অনুপ্রেরণা।
টিউশনি করে সংসারের হালধরা অঞ্জনার স্বপ্ন ভালো একটা চাকরির।
কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মান্দারী হালদারের চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট অঞ্জনা হালদার।

কিন্তু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়ায় রোজিনার বাবা-মায়ের যেন আপসোসের সীমা ছিল না। তবুও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এই সন্তানকে অতি আদরে বড় করে তোলেন তারা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় অঞ্জনাকে ভর্তি করা হয় স্কুলে। প্রতিবেশি কিংবা সহপাঠিদের অসহযোগিতা আর তুচ্ছতাচ্ছিল্যতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন তিনি।

অঞ্জনা রানী হালদার, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বলেন অঞ্জনার প্রত্যাশা যোগ্যতানুযায়ী
একটি সরকারী চাকরির। চাকরি পেলে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পাশাপাশি
পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চান তিনি। পড়ালেখায় কৃতিত্বের
পাশাপাশি সঙ্গীত সাধনাতেও পিছিয়ে নেই অঞ্জনা। এ জন্য তার প্রাপ্তিও কম নয়, পেয়েছেন স্বীকৃতিও। তার এই চলার পথে বাবা-মা সব সময় সারথির মত সাথ দিয়েছেন।

মা বাবা বলেন অঞ্জনা যাতে একটি ভালো চাকরী পেয়ে সংসারে স্বচ্ছলতা
আনতে পারে সে জন্য সরকারের সুদৃষ্টি চেয়েছেন তার প্রতিবেশিরা।
প্রতিবেশিরা বলেন তবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী অঞ্জনা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে
কর্মসংস্থানের সুযোগ না পেলেও স্থানীয়দের কাছে অনুপ্রেরণা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে বাস-আলগামন সংঘর্ষে চালক নিহত,আহত একাধিক

কুষ্টিয়ায় অন্ধ প্রতিবন্ধি অঞ্জনা পরিবারের পাশে ও মুখে হাসি ফোটাতে চান

আপডেট টাইম : ০৮:৫২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া: যার চোখের আলো নেই তার কাছে পৃথিবীটা
কেবল একদলা নিকষ কালো আঁধার। সেই আঁধারের মাঝে যেন এক চিলতে আলো কুষ্টিয়ার মেয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী অঞ্জনা রানী হালদার। অন্ধত্বকে জয় করে তিনি অর্জন করেছেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। সঙ্গীত সাধনাতেও পিছিয়ে নেই প্রতিবন্ধী।

অভাবের সংসারে জন্ম নেয়া এই অঞ্জনা আজ সকলের অনুপ্রেরণা।
টিউশনি করে সংসারের হালধরা অঞ্জনার স্বপ্ন ভালো একটা চাকরির।
কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মান্দারী হালদারের চার সন্তানের মধ্যে সবার ছোট অঞ্জনা হালদার।

কিন্তু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়ায় রোজিনার বাবা-মায়ের যেন আপসোসের সীমা ছিল না। তবুও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এই সন্তানকে অতি আদরে বড় করে তোলেন তারা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় অঞ্জনাকে ভর্তি করা হয় স্কুলে। প্রতিবেশি কিংবা সহপাঠিদের অসহযোগিতা আর তুচ্ছতাচ্ছিল্যতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন তিনি।

অঞ্জনা রানী হালদার, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বলেন অঞ্জনার প্রত্যাশা যোগ্যতানুযায়ী
একটি সরকারী চাকরির। চাকরি পেলে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পাশাপাশি
পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চান তিনি। পড়ালেখায় কৃতিত্বের
পাশাপাশি সঙ্গীত সাধনাতেও পিছিয়ে নেই অঞ্জনা। এ জন্য তার প্রাপ্তিও কম নয়, পেয়েছেন স্বীকৃতিও। তার এই চলার পথে বাবা-মা সব সময় সারথির মত সাথ দিয়েছেন।

মা বাবা বলেন অঞ্জনা যাতে একটি ভালো চাকরী পেয়ে সংসারে স্বচ্ছলতা
আনতে পারে সে জন্য সরকারের সুদৃষ্টি চেয়েছেন তার প্রতিবেশিরা।
প্রতিবেশিরা বলেন তবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী অঞ্জনা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে
কর্মসংস্থানের সুযোগ না পেলেও স্থানীয়দের কাছে অনুপ্রেরণা।