1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় কাজীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হাজিদের সেবায় সৌদি যাবেন ৫৩২ কর্মকর্তা। কাশিমপুর কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু। নাগরপুরে ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২২ উদযাপন। দৌলতপুরে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কল্পনার ঘর করে দিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা তাসফিন আব্দুল্লাহ ইসলামী শাসনতন্ত্র দশমিনার উপজেলা শাখার সভাপতিকে ১ মাসের সাজা। দশমনিা বাউফল সড়কে ট্রলি নয়িন্ত্রণ হারেিয় চালকের মৃত্যু। ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বিএনপি : কাদের। নাগরপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। শিঘ্রই দৃশ্যমান হবে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

দৌলতপুরে কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন চলছে ঢিলেঢালা

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ সরকার ঘোষিত ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনেও চলছে ঢিলেঢালা ভাবে। রোববার সকাল থেকে উপজেলা সদর বাদে অধিকাংশ মফস্মল এলাকার বাজারে খোলা ছিল দোকানপাট, ছিল ব্যপক জনসমাগম। ঐ সব এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের কোন অভিযান চলতে দেখেনি সেই এলাকার সচেতন মানুষ। বন্ধ হয়নি সাধারন মানুষের অবাধ চলাচল।

সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের লুকোচুরি খেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলার একাধিক সচেতন মানুষ, তাদের দাবি দৌলতপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য ও কর্তা ব্যাক্তিরা মাঠে থাকলেও ঠিকমত কাজ করছেননা ইউনিয়ন ভিত্তিক পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কালিদাশপুর এলাকার এক স্কুল শিক্ষক সাংবাদিকদের জানান, শহর এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের লোক লকডাউন মানাতে কঠোর থাকলেও ফাড়ি এলাকার পুলিশ সদস্যরা শুধু বাজার ঘাটে গিয়ে মোবাইলে ছবি তুলে কর্তাব্যাক্তিদের নিকট পাঠিয়ে দেখাচ্ছে যে তারা সার্বক্ষনিক মাঠে কাজ করছে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলার সকল প্রান্তে কাজ করে যাচ্ছেন সঠিক ভাবে। তবে ফাড়ি এলাকায় পুলিশের কাজে অবহেলার বিষয়ে (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন,ইতি মধ্যে ফাড়ির সকল সদ্যদের সঠিক ভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করার জন্য কঠোর ভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।।

দোকান খোলা রাখার কারন জানতে চাইলে বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন রাস্তাতে হাজার হাজার মানুষের চলাচল, চলছে অটোরিকশা যাতে ১০ জন করে লোক উঠছে তাতে করোনা নেই কিন্তু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে করোনা আছে। এই লকডাউনের কারনে শুধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে কিন্তু করোনার বিস্তার কমছে না। আমরা চাই লকডাউন বাস্তবায়ন হলে সঠিক ভাবে হোক না হলে সব খুলে দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আমি একা এক বাজার থেকে আরেক বাজারে বা এলাকায় গেলে তারা আবার দোকানপাট খুলছে সকলের সহযোগীতা না থাকলে লকডাউন বাস্তবায়ন করা কষ্ট সাধ্য ব্যপার।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ