ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রাজশাহী সার্কেলের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া  গুলিতে ১ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজশাহীর পবায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত কর্মী আটক নাসীরুদ্দীনকে বাদ দিয়ে কর্মসূচি করুন, বিএনপি সহযোগিতা করবে : রাশেদ খান জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

দশমিনায় গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার স্বজনদের দবি স্বামী মেরে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে

দশমিনা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনায় মোসা. মৌসুমি (২৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের
দক্ষিণ রনগোপালদী গ্রামের শ্বশুর বাড়ির ঘরের আড়া থেকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে দশমিনা থানা পুলিশ।

ওই গৃহবধূ ওই গ্রামের মো. আসাদুল হাওলাদারের স্ত্রী ও দুই মেয়ে এবং এক ছেলের জননী। স্বজনদের দাবি মৌসুমিকে তার শ্বশুর
বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে।

স্বজন সূত্র জানায়, প্রায় ৭ বছর আগে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রনগোপালদী গ্রামের মো. আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. আসাদুল হাওলাদারের সাথে আলীপুরা ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের কাঞ্চন সিকদারের মেয়ে মোসা.
মৌসুমির বিয়ে হয়।

সম্প্রতি এক মেয়ে ও এক ছেলের পর মোসা. মৌসুমি নতুন করে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিলে ও যৌতুকের জন্য তাদের সংসারে
কলোহের সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনার দিন শ্বশুর বাড়ির লোকজন ঘরের আড়ার সাথে মৌসুমির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

মৌসুমির চাচাতো ভাই মো. রবিউলের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে রবিউলের বোনকে তার স্বামী বিভিন্ন সময় মারধর করতো এবং দীর্ঘদিন ধরে যৌতুক দাবি করে আসছিল। ঈদের দিনও মৌসুমিকে মারধর করা হয়। সম্প্রতি মৌসুমির স্বামী জালের সাবার করার জন্য শ্বশুর বাড়িতে টাকা আনতে পাঠায় তাকে।

মৌসুমির চাচাতো ভাইয়ের দাবি বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে না পারায় ঘটনার দিন আসাদুল তার স্ত্রী মৌসুমিকে মেরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। রবিউল আরও জানান, মৌসুমি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় তার স্বামী তার উপর ক্ষুদ্ধ ছিল।

দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. জসিম জানান, পারিবারিক কলহ ছিল এটা সত্যি। মেরে ফেলা হয়েছে কি না প্রাথমিকভাবে এমন কোন প্রমাণ আমরা পাইনি। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :

নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

দশমিনায় গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার স্বজনদের দবি স্বামী মেরে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে

আপডেট টাইম : ০৬:২৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১

দশমিনা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনায় মোসা. মৌসুমি (২৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের
দক্ষিণ রনগোপালদী গ্রামের শ্বশুর বাড়ির ঘরের আড়া থেকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে দশমিনা থানা পুলিশ।

ওই গৃহবধূ ওই গ্রামের মো. আসাদুল হাওলাদারের স্ত্রী ও দুই মেয়ে এবং এক ছেলের জননী। স্বজনদের দাবি মৌসুমিকে তার শ্বশুর
বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে।

স্বজন সূত্র জানায়, প্রায় ৭ বছর আগে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রনগোপালদী গ্রামের মো. আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. আসাদুল হাওলাদারের সাথে আলীপুরা ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের কাঞ্চন সিকদারের মেয়ে মোসা.
মৌসুমির বিয়ে হয়।

সম্প্রতি এক মেয়ে ও এক ছেলের পর মোসা. মৌসুমি নতুন করে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিলে ও যৌতুকের জন্য তাদের সংসারে
কলোহের সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনার দিন শ্বশুর বাড়ির লোকজন ঘরের আড়ার সাথে মৌসুমির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

মৌসুমির চাচাতো ভাই মো. রবিউলের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে রবিউলের বোনকে তার স্বামী বিভিন্ন সময় মারধর করতো এবং দীর্ঘদিন ধরে যৌতুক দাবি করে আসছিল। ঈদের দিনও মৌসুমিকে মারধর করা হয়। সম্প্রতি মৌসুমির স্বামী জালের সাবার করার জন্য শ্বশুর বাড়িতে টাকা আনতে পাঠায় তাকে।

মৌসুমির চাচাতো ভাইয়ের দাবি বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে না পারায় ঘটনার দিন আসাদুল তার স্ত্রী মৌসুমিকে মেরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। রবিউল আরও জানান, মৌসুমি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ায় তার স্বামী তার উপর ক্ষুদ্ধ ছিল।

দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. জসিম জানান, পারিবারিক কলহ ছিল এটা সত্যি। মেরে ফেলা হয়েছে কি না প্রাথমিকভাবে এমন কোন প্রমাণ আমরা পাইনি। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী প্রেরণ করা হয়েছে।