ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কুষ্টিয়া মুক্ত স্কাউটদলের দুই দিনব্যাপী ডে- ক্যাম্পের সমাপনী রাজশাহীতে ১০ দলের অংশগ্রহণে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় মাদকসহ যুবক আটক, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা ঘোড়াঘাটে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, মোটরসাইকেল চালক আহত সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা কৃষকের প্রশ্ন,ফসল ফলিয়েও ন্যায্য মূল্য নেই; আর কত? ৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিজয়ী মির্জা ফখরুল ঘোড়াঘাটে দাম্পত্য কলহের বলি শিশু তাসপিয়া সৎ বাবা গ্রেপ্তার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে ভেড়ামারায় যুবক গ্রেফতার, থানায় মামলা

পটুয়াখালীতে এক সাঁকোতে দুই উপজেলার মানুষের পারাপার

মোঃবেল্লাল হোসেন,দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীতে সেতু না হওয়ায় দশমিনা-গলাচিপা উপজেলার পাঁচ গ্রামের প্রায় ২৫
হাজার মানুষের একসাঁকোতে পারাপার। দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের চাঁদপুরা- গলাচিপা উপজেলার গুয়াবাঁশবাড়িয়া খালে উপর সাঁকোটি নিমার্ণ করে স্থানীয়রা।

বর্ষায় নৌকা আর শুস্ক মৌসুমে এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার ওই
এলাকার মানুষ। অপরদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু না হওয়ায় ওইসব এলাকায় রাস্তাসহ অন্য কোন উন্নয়নও তেমন হয়নি। অবঃ শিক্ষক সাহেদ আলী খাঁন মোহন(৭০)সহওই এলাকার হাজারো মানুষের দাবি এ খালের উপরে একটি পাকা সেতু নির্মানের।

রবিবার সকালে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের চাঁদপুরা-গুয়া বাঁশবাড়িয়া গ্রামের খালে উঁচু নিচু বাঁশের সাঁকো দিয়ে-সালেহা বিবি (৬৫) ও ডায়রিয়া আক্রান্ত মুছা (১০) পারাপার হচ্ছেন। তারা চিকিৎসা নিতে দশমিনা হাসপাতালে যাবেন বলে জানান । বাঁশের সাঁকোটি উত্তর- দক্ষিনে প্রায় ৫শ থেকে ৬শফুট লম্বা।

খালের উত্তর অংশে গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের
গুয়াবাঁশবাড়িয়া ,গিলাবাড়িয়াসহ দুইটি গ্রামের ও দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের চাঁদপুরা, মধুপুরা, পশ্চিম আলীপুরাসহ তিনটি গ্রামের মানুষ নিরুপায় হয়ে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হতে হয়।

খালের উত্তর পাশের জাফর হোসেন, জামাল মিয়া ও শাহ আলম গলাচিপা উপজেলার বকুল বাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়া বাঁশবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা তারা। তারা জানান, চাঁদপুরা-গুয়া বাঁশবাড়িয়া খালে সেতু না থাকায় তাদের গ্রামে পাকা সড়ক হয়নি। ছেলে মেয়েদের স্কুুল-কলেজে যাতায়াত, ফসল পরিবহনসহ উপজেলা সদরে যেতে হয় দূর্ভোগে।

ভরা বর্ষায় খেয়ার নৌকায় ও শুকনোয় মৌসুমে বাঁশের সাঁকো পার হতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আলীপুরার ¯øুইজ বাজারের বাসিন্দা হাবিব বলেন, এই ইউনিয়ন এলাকাটি কৃষি প্রধান ইউনিয়ন। গ্রামের মানুষ, তাদের খেতের ফসল পারাপার এবং জেলা-উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ সেতুটির অভাবে।

তা ছাড়া দুই উপজেলার পাঁচ গ্রামের মানুষ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিতে আনতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সেতু না থাকায় মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই।আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সাল বলেন, এ খালে সেতু নির্মান খুব তারাতারিই কাজ শুরু করা হবে।

এলজিডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মকবুল আহমেদ জানান, বিষয়টি শুনেছি আগামী উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করা হবে। যাতে ওই
খালে সেতু নির্মান করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া মুক্ত স্কাউটদলের দুই দিনব্যাপী ডে- ক্যাম্পের সমাপনী

পটুয়াখালীতে এক সাঁকোতে দুই উপজেলার মানুষের পারাপার

আপডেট টাইম : ০৯:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১

মোঃবেল্লাল হোসেন,দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীতে সেতু না হওয়ায় দশমিনা-গলাচিপা উপজেলার পাঁচ গ্রামের প্রায় ২৫
হাজার মানুষের একসাঁকোতে পারাপার। দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের চাঁদপুরা- গলাচিপা উপজেলার গুয়াবাঁশবাড়িয়া খালে উপর সাঁকোটি নিমার্ণ করে স্থানীয়রা।

বর্ষায় নৌকা আর শুস্ক মৌসুমে এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার ওই
এলাকার মানুষ। অপরদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু না হওয়ায় ওইসব এলাকায় রাস্তাসহ অন্য কোন উন্নয়নও তেমন হয়নি। অবঃ শিক্ষক সাহেদ আলী খাঁন মোহন(৭০)সহওই এলাকার হাজারো মানুষের দাবি এ খালের উপরে একটি পাকা সেতু নির্মানের।

রবিবার সকালে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের চাঁদপুরা-গুয়া বাঁশবাড়িয়া গ্রামের খালে উঁচু নিচু বাঁশের সাঁকো দিয়ে-সালেহা বিবি (৬৫) ও ডায়রিয়া আক্রান্ত মুছা (১০) পারাপার হচ্ছেন। তারা চিকিৎসা নিতে দশমিনা হাসপাতালে যাবেন বলে জানান । বাঁশের সাঁকোটি উত্তর- দক্ষিনে প্রায় ৫শ থেকে ৬শফুট লম্বা।

খালের উত্তর অংশে গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের
গুয়াবাঁশবাড়িয়া ,গিলাবাড়িয়াসহ দুইটি গ্রামের ও দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের চাঁদপুরা, মধুপুরা, পশ্চিম আলীপুরাসহ তিনটি গ্রামের মানুষ নিরুপায় হয়ে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হতে হয়।

খালের উত্তর পাশের জাফর হোসেন, জামাল মিয়া ও শাহ আলম গলাচিপা উপজেলার বকুল বাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়া বাঁশবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা তারা। তারা জানান, চাঁদপুরা-গুয়া বাঁশবাড়িয়া খালে সেতু না থাকায় তাদের গ্রামে পাকা সড়ক হয়নি। ছেলে মেয়েদের স্কুুল-কলেজে যাতায়াত, ফসল পরিবহনসহ উপজেলা সদরে যেতে হয় দূর্ভোগে।

ভরা বর্ষায় খেয়ার নৌকায় ও শুকনোয় মৌসুমে বাঁশের সাঁকো পার হতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আলীপুরার ¯øুইজ বাজারের বাসিন্দা হাবিব বলেন, এই ইউনিয়ন এলাকাটি কৃষি প্রধান ইউনিয়ন। গ্রামের মানুষ, তাদের খেতের ফসল পারাপার এবং জেলা-উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ সেতুটির অভাবে।

তা ছাড়া দুই উপজেলার পাঁচ গ্রামের মানুষ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিতে আনতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সেতু না থাকায় মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই।আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সাল বলেন, এ খালে সেতু নির্মান খুব তারাতারিই কাজ শুরু করা হবে।

এলজিডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মকবুল আহমেদ জানান, বিষয়টি শুনেছি আগামী উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করা হবে। যাতে ওই
খালে সেতু নির্মান করা হয়।