ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
সংবিধান মেনে চললে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না: ডা. শফিকুর রহমান ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার শ্রীপুরে ভাড়া বাসায় ইয়াবা সেবনের সময় পুলিশ সদস্য আটক ৩ গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৩ জেলের কারাদণ্ড, শিশুকে মুচলেকায় মুক্তি দৌলতপুরে স্বপন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ছাতারপাড়াতে প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় ম্যাচ অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ তরুণ নিহত, আহত ২ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টাকালে গণধোলাইয়ের শিকার ২ জন, পুলিশের কাছে হস্তান্তর ভেড়ামারায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার, দুজনের এক বছর করে কারাদণ্ড ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্স দেখার আয়োজন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন

দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্স দেখার আয়োজন।

মোঃ জিল্লুর রহমা: বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে আধা পাকা ঘর এবং জমি পাবে দেশের প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ। চলমান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পাবে আধা পাকা ঘর। এটিই বিশ্বে গৃহহীন মানুষকে বিনামূল্যে ঘর করে দেওয়ার সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন।

শনিবার সকাল ১১ টার সময়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম ,বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ মামুন, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আজগর আলী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোনালী আক্তার আলিয়া, ও দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিযন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্যরা

এ সময়, ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোনো লোক গৃহহারা থাকবে না। মুজিববর্ষে আমাদের লক্ষ্য, একটি মানুষও ঠিকানাবিহীন, গৃহহারা থাকবে না। ‘আমার খুব আকাঙ্ক্ষা ছিল, নিজ হাতে আপনাদের জমির দলিল তুলে দেই। কিন্তু সেটা পারলাম না এই করোনাভাইরাসের কারণে। শেখ হাসিনা আরো বলেন ‘আমি বিশ্বাস করি, যখন এই মানুষগুলো ঘরে থাকবে, আমার মা-বাবা যাঁরা সারা জীবন এই দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে।’

আশ্রয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৬৬ হাজার ১৮৯টি ঘর আমরা দিচ্ছি। এই ৬৬ হাজার ঘর এত অল্প সময়ের মধ্যে করা অত সহজ কথা নয়। যারা প্রশাসনে আছেন, সরাসরি আপনারা এই ঘরগুলো তৈরি করেছেন বলেই এটা করা সম্ভব হয়েছে এবং মানসম্মত হয়েছে। এ জন্য আমি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের সরকারি কর্মচারীরা যেভাবে সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন, এটা অতুলনীয়।

 

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান মেনে চললে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না: ডা. শফিকুর রহমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্স দেখার আয়োজন দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন

আপডেট টাইম : ০৭:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

মোঃ জিল্লুর রহমা: বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে আধা পাকা ঘর এবং জমি পাবে দেশের প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ। চলমান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পাবে আধা পাকা ঘর। এটিই বিশ্বে গৃহহীন মানুষকে বিনামূল্যে ঘর করে দেওয়ার সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন।

শনিবার সকাল ১১ টার সময়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম ,বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ মামুন, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আজগর আলী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোনালী আক্তার আলিয়া, ও দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিযন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্যরা

এ সময়, ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোনো লোক গৃহহারা থাকবে না। মুজিববর্ষে আমাদের লক্ষ্য, একটি মানুষও ঠিকানাবিহীন, গৃহহারা থাকবে না। ‘আমার খুব আকাঙ্ক্ষা ছিল, নিজ হাতে আপনাদের জমির দলিল তুলে দেই। কিন্তু সেটা পারলাম না এই করোনাভাইরাসের কারণে। শেখ হাসিনা আরো বলেন ‘আমি বিশ্বাস করি, যখন এই মানুষগুলো ঘরে থাকবে, আমার মা-বাবা যাঁরা সারা জীবন এই দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে।’

আশ্রয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৬৬ হাজার ১৮৯টি ঘর আমরা দিচ্ছি। এই ৬৬ হাজার ঘর এত অল্প সময়ের মধ্যে করা অত সহজ কথা নয়। যারা প্রশাসনে আছেন, সরাসরি আপনারা এই ঘরগুলো তৈরি করেছেন বলেই এটা করা সম্ভব হয়েছে এবং মানসম্মত হয়েছে। এ জন্য আমি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের সরকারি কর্মচারীরা যেভাবে সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন, এটা অতুলনীয়।