লক্ষ্মীপুরে বন কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে
সোহেল হোসেন লক্ষীপুর প্রতিনিধি।
লক্ষ্মীপুর এলজিইডির সড়ক বিভাগ পাকা রাস্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াবদা বেড়ির বাঁধ, আমিন বাজারের বড় ব্রিজের পূর্ব পাশ, নিমতলা পশ্চিম গন্ধব্যপুর এলাকায় জায়গা থেকে ২ থেকে ৩ লাখ টাকার ২০ -২৫টি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসার উল্যা দাদা, মাহি, বন বিভাগের দিলিপ কুমার সরকার, এমরানে বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগ স্থানীয় ও এলাকায়বাসীর। ১৫ – ৪০ বছর পুরোনো গাছগুলো কাটার ফলে আমিন বাজারের বড় ব্রিজ এলাকার, নিমতলা পশ্চিম গন্ধব্যপুর, বেড়ির বাঁধ- সড়কের ওই অংশে ভাঙন সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিমতলা পশ্চিম গন্ধব্যপুর সড়ক, বেড়ি বাঁধ, বড় ব্রিজ এলাকায় আমিন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইসার উল্যা ও মাহি মান্দারী ইউনিয়নের বাজার এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, পানি উন্নয়ন বিভাগে পাকা সড়কের পাশে সরকারি জায়গায় অন্তত ৫০ বছরের পুরানো বেশ কিছু করই, মেহগনি, আকাশ মনি গাছ ছিল। যা সড়কটি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল।
গত ২ মাস আগে আমিন বাজারের বড় ব্রিজের দক্ষিণ পাশের ব্রিজের পূর্ব পাশে খাল পাড়া এলাকায় ৮-১০ টি, করই গাছ, ব্রিজের পাশ থেকে ১০০ গজ দূরে পূর্ব দিকে বেড়ি বাঁধ, স মিল রোড এলাকায় থেকে ৫-৬ টি সেগুন, মেহগুনি, করই, আকাশ মনি গাছ, নিমতলা পশ্চিম গন্ধব্যপুর এলাকায় থেকে ৪০ বছরের ৫-৬ টি করই গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় বন সংরক্ষক ইসার উল্যা, মাহি, বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশে। এমন অভিযোগ তোলেন স্থানীয় এলাকাবাসী ।
গাছ কেটে নেয়ার বিষয়ে ভবানীরগঞ্জ বিট অফিসার দিলিপ কুমার সরকার, সহকারী আবু ছালেহ মো: এমরান বলেন, গাছ কাটার সাথে আমাদের অফিসের কেউ জড়িত নয়,তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।গাছ কাটার আগে বন বিভাগের অনুমতি নেওয়া হয়নি। যা সরকারি গাছ লুটের শামিল। পাশাপাশি সড়কটিকেও হুমকিতে ফেলছে।
লক্ষীপুর জেলা বন কর্মকর্তা মোস্তফা আল হোসাইন বলেন, বন কর্মকর্তা চন্দ্র ভৌমিক এই বিষয়ে এক সপ্তার মধ্যে রিপোর্ট অফিসে জমা দেওয়ার জন্য বলা আছে রিপোর্টের মধ্যে গাছ কেটে নেওয়ার সততা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক 





















