ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভেড়ামারায় অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ নীলফামারীতে ডিএনএ প্রমাণিত, তবুও সন্তানের পিতৃপরিচয় দিচ্ছে না জয় রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরাঞ্চলের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লুটপাটের তাণ্ডব, গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা পুরুষ শূন্য: ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ ৩ মাদক সেবনকারী গ্রেপ্তার: মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও কারাদণ্ড নাসিরনগরের খাগালিয়া গ্রামে মৎস্য জীবীর জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকা ক্ষতির দাবি পুলিশের CDMS থেকে মামলার তথ্য উধাও হলেও সন্ধান মিলছে না নেপথ্যের শক্তির দশমিনা উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী বাউফল কাশিপুর ২৪ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার। যশোরের মনিরামপুরে পুকুরের উপর নড়বড়ে কাঠের দোকানে বৃদ্ধার মানবতার জীবন

ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

‎ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

‎

হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া

‎পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার আড়কান্দি গ্রামে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। অব্যাহত নদীভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় শতবিঘা পানের বরজসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে চরম নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও পানচাষিরা।

‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্য মতে, নদীভাঙনের কারণে বিলীন হওয়া সিকস্তী (নদীগর্ভে তলে যাওয়া) জমির পরিমাণ আনুমানিক ২৫ হেক্টর। গত কয়েকদিনে পানির প্রবল তোড়ে তীরের মাটি ধসে পড়ে এই বিশাল এলাকার কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে যায়।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চোখের সামনেই তাদের আবাদের একমাত্র সম্বল পানের বরজ ও গাছপালা নদীতে ভেসে যেতে দেখেছেন।

‎এদিকে খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত আড়কান্দি গ্রাম সশরীরে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি দল। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন।

‎পরিদর্শনকালে প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয়রা দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং স্থায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

‎ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষিরা জানান, পানের বরজ তৈরিতে প্রচুর অর্থ ও শ্রম দিতে হয়। হঠাৎ এমন ভাঙনে তাদের মূলধনসহ আয়ের প্রধান পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি জরুরি সহায়তা ও প্রণোদনা না পেলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না বলে জানান।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভেড়ামারায় অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

আপডেট টাইম : ০৮:২২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

‎ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন

‎

হেলাল মজুমদার কুষ্টিয়া

‎পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার আড়কান্দি গ্রামে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। অব্যাহত নদীভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় শতবিঘা পানের বরজসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে চরম নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও পানচাষিরা।

‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্য মতে, নদীভাঙনের কারণে বিলীন হওয়া সিকস্তী (নদীগর্ভে তলে যাওয়া) জমির পরিমাণ আনুমানিক ২৫ হেক্টর। গত কয়েকদিনে পানির প্রবল তোড়ে তীরের মাটি ধসে পড়ে এই বিশাল এলাকার কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে যায়।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চোখের সামনেই তাদের আবাদের একমাত্র সম্বল পানের বরজ ও গাছপালা নদীতে ভেসে যেতে দেখেছেন।

‎এদিকে খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত আড়কান্দি গ্রাম সশরীরে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি দল। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন।

‎পরিদর্শনকালে প্রশাসন ও পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয়রা দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং স্থায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

‎ক্ষতিগ্রস্ত পানচাষিরা জানান, পানের বরজ তৈরিতে প্রচুর অর্থ ও শ্রম দিতে হয়। হঠাৎ এমন ভাঙনে তাদের মূলধনসহ আয়ের প্রধান পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি জরুরি সহায়তা ও প্রণোদনা না পেলে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না বলে জানান।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।