ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নীলফামারীতে ডিএনএ প্রমাণিত, তবুও সন্তানের পিতৃপরিচয় দিচ্ছে না জয় রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরাঞ্চলের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লুটপাটের তাণ্ডব, গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা পুরুষ শূন্য: ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ ৩ মাদক সেবনকারী গ্রেপ্তার: মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও কারাদণ্ড নাসিরনগরের খাগালিয়া গ্রামে মৎস্য জীবীর জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকা ক্ষতির দাবি পুলিশের CDMS থেকে মামলার তথ্য উধাও হলেও সন্ধান মিলছে না নেপথ্যের শক্তির দশমিনা উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী বাউফল কাশিপুর ২৪ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার। যশোরের মনিরামপুরে পুকুরের উপর নড়বড়ে কাঠের দোকানে বৃদ্ধার মানবতার জীবন জাল দলিলে ৩ কোটি টাকার জমি আত্মসাতের অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

নীলফামারীতে ডিএনএ প্রমাণিত, তবুও সন্তানের পিতৃপরিচয় দিচ্ছে না জয়

মোঃ সাগর আলী, নীলফামারী: নীলফামারীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন। অত:পর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী সন্তানের জন্মদাতা হলেও পিতৃ পরিচয় দিতে নারাজ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৩ নং নিতাই ইউনিয়নের পানিয়াল পুকুর মৌলভীর হাট হাজীপাড়া এলাকার জাকারিয়া সরকারের ছেলে রায়হান সরকার জয়।

এদিকে, জন্ম নিবন্ধন না থাকায় জরুরি স্বাস্থ্য টিকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভুক্তভোগীর কোমলমতি ওই শিশুটি। সন্তানের পিতৃ পরিচয় আদায়ে আইনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলাটি দায়ের করা হয় ২৩/০৮/২০২৪ তারিখে। যার জিআর নং- ২৭/২৬। মামলার বাদী ভিকটিমের মা তহমিনা বেগম। ভিকটিমের কোলে রয়েছে ২ বছর বয়সী এক কন্যা শিশু।

ভিকটিম সিমরান জাহান (ছদ্মনাম) বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট প্রমাণিত হওয়ার প্রায় এক বছর হলেও অভিযুক্ত এখনো শিশুটিকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি আমার সন্তানের পিতৃপরিচয় চাই এবং সন্তানের ভরণপোষণের যাবতীয় খরচ চাই।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চা জন্মের পর বুকের দুধ না পাওয়ায় বাজারের দুধ খাওয়াতে হয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে রক্ত বিক্রি করে বাচ্চাকে দুধ কিনে খাওয়াতে হয়েছে। এমনকি ১৫ মাস বয়সী শিশুকে ৪৮ ঘন্টা দুধের পরিবর্তে পানি খাইয়ে রাখতে হয়েছে। একজন মা কতটা অসহায় হলে এমন পরিস্থিতি হয়। এত কিছুর পরেও আসামি ও তার পরিবার শিশুর দায়িত্ব নিতে নারাজ।

এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি গোলাম মোস্তফা সজীব জানান, ডিএনএ রিপোর্ট মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়রা এই ঘটনায় শিশুটির ভবিষ্যৎ ও পিতৃপরিচয়ের আইনি অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে ডিএনএ প্রমাণিত, তবুও সন্তানের পিতৃপরিচয় দিচ্ছে না জয়

নীলফামারীতে ডিএনএ প্রমাণিত, তবুও সন্তানের পিতৃপরিচয় দিচ্ছে না জয়

আপডেট টাইম : ০৫:২৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ সাগর আলী, নীলফামারী: নীলফামারীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন। অত:পর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী সন্তানের জন্মদাতা হলেও পিতৃ পরিচয় দিতে নারাজ জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৩ নং নিতাই ইউনিয়নের পানিয়াল পুকুর মৌলভীর হাট হাজীপাড়া এলাকার জাকারিয়া সরকারের ছেলে রায়হান সরকার জয়।

এদিকে, জন্ম নিবন্ধন না থাকায় জরুরি স্বাস্থ্য টিকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভুক্তভোগীর কোমলমতি ওই শিশুটি। সন্তানের পিতৃ পরিচয় আদায়ে আইনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলাটি দায়ের করা হয় ২৩/০৮/২০২৪ তারিখে। যার জিআর নং- ২৭/২৬। মামলার বাদী ভিকটিমের মা তহমিনা বেগম। ভিকটিমের কোলে রয়েছে ২ বছর বয়সী এক কন্যা শিশু।

ভিকটিম সিমরান জাহান (ছদ্মনাম) বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট প্রমাণিত হওয়ার প্রায় এক বছর হলেও অভিযুক্ত এখনো শিশুটিকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি আমার সন্তানের পিতৃপরিচয় চাই এবং সন্তানের ভরণপোষণের যাবতীয় খরচ চাই।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চা জন্মের পর বুকের দুধ না পাওয়ায় বাজারের দুধ খাওয়াতে হয়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে রক্ত বিক্রি করে বাচ্চাকে দুধ কিনে খাওয়াতে হয়েছে। এমনকি ১৫ মাস বয়সী শিশুকে ৪৮ ঘন্টা দুধের পরিবর্তে পানি খাইয়ে রাখতে হয়েছে। একজন মা কতটা অসহায় হলে এমন পরিস্থিতি হয়। এত কিছুর পরেও আসামি ও তার পরিবার শিশুর দায়িত্ব নিতে নারাজ।

এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি গোলাম মোস্তফা সজীব জানান, ডিএনএ রিপোর্ট মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়রা এই ঘটনায় শিশুটির ভবিষ্যৎ ও পিতৃপরিচয়ের আইনি অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।