ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চরাঞ্চলের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লুটপাটের তাণ্ডব, গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা পুরুষ শূন্য: ভেড়ামারা আড়কান্দিতে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন: ২৫ হেক্টর কৃষিজমি ও শতবিঘা পানের বরজ নদীগর্ভে বিলীন ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ ৩ মাদক সেবনকারী গ্রেপ্তার: মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও কারাদণ্ড নাসিরনগরের খাগালিয়া গ্রামে মৎস্য জীবীর জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকা ক্ষতির দাবি পুলিশের CDMS থেকে মামলার তথ্য উধাও হলেও সন্ধান মিলছে না নেপথ্যের শক্তির দশমিনা উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী বাউফল কাশিপুর ২৪ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার। যশোরের মনিরামপুরে পুকুরের উপর নড়বড়ে কাঠের দোকানে বৃদ্ধার মানবতার জীবন জাল দলিলে ৩ কোটি টাকার জমি আত্মসাতের অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা সাভারে ডিবির অভিযানে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধিঃ টানা আন্দোলন-সংগ্রাম, রাজপথের লড়াই এবং তৃণমূল রাজনীতির অভিজ্ঞতা—এই পথ পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছেন এম এ হান্নান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩

আসনে স্বাধীনতা পরবর্তী এই প্রথম বারের মতো  বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি এখন জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এমপি এম এ হান্নান কেবল রাজনৈতিক নেতা নন, স্থানীয়দের কাছে তিনি সাহস ও ত্যাগের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে টানা ১৭ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে এবং দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও তিনি জাতীয়তাবাদী চেতনা হৃদয়ে লালন করে, আদর্শকে বুকে ধারণ করে, বিচ্যুত হননি বলে নেতাকর্মীরা জানান।

আন্দোলনের রাজপথে যে তরুণ একদিন স্লোগানের কণ্ঠে স্বপ্নের আগুন জ্বালিয়েছিলেন, আজ তিনিই জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩আসনের সংসদ সদস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য জননেতা এম এ হান্নান এমপি।

রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে সংগ্রামকে সঙ্গী, ত্যাগকে শক্তি আর জনগণকে প্রেরণা করে এগিয়ে চলার এই দীর্ঘ পথচলা কেবল একজন নেতার ব্যক্তিগত উত্থানের গল্প নয়; এটি আদর্শ, অধ্যবসায় ও জননেতৃত্বের এক অনিবার্য পরিণতির ইতিহাস।
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করা রাজপথের অকুতোভয় বীরসৈনিক এম পি এম এ হান্নান তিনি গোর্কণ ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ চৌদ্দটি বছর অতিবাহিত করেন।

দীর্ঘদিন তিনি নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এখনো সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।তার দল যখন বিরোধী দলে তখন সে অনেক হামলা মামলার সম্মুক্ষিণ হয়েছেন।অনেক বার জেলও কেটেছেন।জেলখানা থাকাবস্থায় তার মায়ের মৃত্যু হলে সে জেল থেকে পেরোলে জামিনে এসে জানাযায় অংশ গ্রহণ করেন।শুধু এম পি এম এ হান্নান নয়। বর্তমান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বশীর উদ্দিন তুহিন,সাংগঠনিক সম্পাদক এডঃ আলী আজম চৌধুরী, বিএনপি নেতা ছয়, ছয় বারের সফল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার  মোঃ আজদু মেম্বার সহ অনেক নেতাকর্মীও দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন।

কিন্তু বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এম এ হান্নানকে  অগাধ বিশ্বাস ও ভালবাসে তার নির্বাচনী এলাকার জনগণ ভোট দিয়ে এম পি নির্বাচিত করেন।বিএনবি সরকারের সাত মাসের বয়সে  তার নির্বাচনী এলাকার বেশ কয়েকটি চোখে পড়ার মত কাজের কারনে সহজেই জনগনের  হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন এম পি এম এ হান্নান।তার উল্লেখযোগ্য ও চোখে পড়ার মত কাজ গুলো হল নাসিরনগর নগর সদর বাজারের দীর্ঘদিনের ভগ্নদশায় পতিত রাস্তা ও ড্রেইন পুনঃনির্মান,
নাসিরনগর সরকারী ডিগ্রি কলেজে দুটি বিষয়ে  অনার্স কোর্স চালু, এলাকায় প্রথমবারের মতো ফারমার্স কোল্ড স্টোরেজ চালু,নাসিরনগর খেলার মাঠের সংস্কার,সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই মহাসড়ককে ফোরলেনে উন্নতি করন, ১৩টি ইউনিয়নে অবহেলিত বিভিন্ন রাস্তা- ঘাটের উন্নয়ন, ধরমন্ডল – সায়াউক সড়কের কাজের সংস্কার, খাল খনন, শিক্ষা, চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন সহ আরো  উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাজ রয়েছে। যার দ্ধারা অতিদ্রুত তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

নাসিরনগর উপজেলাবাসী তার বিভিন্ন কাজ কর্মে সন্তোষ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। একজন ভোটার বলেন, “আমরা একজন প্রকৃত জননেতাকে বেছে নিয়েছি, যিনি সুখে-দুঃখে আমাদের পাশে থাকবেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ সংসদ সদস্য হিসেবে এমপি এম এ হান্নান কাজকে আরও বাস্তবভিত্তিক করবে। তাদের প্রত্যাশা, তিনি কেবল আইন প্রণয়নেই নয়, জনগণের সমস্যা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংসদীয় কমিটির নজরে আনার ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান

রাজপথের লড়াকু সৈনিক থেকে সংসদের আসনে এমপি এম এ হান্নান

আপডেট টাইম : ০৪:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধিঃ টানা আন্দোলন-সংগ্রাম, রাজপথের লড়াই এবং তৃণমূল রাজনীতির অভিজ্ঞতা—এই পথ পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছেন এম এ হান্নান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩

আসনে স্বাধীনতা পরবর্তী এই প্রথম বারের মতো  বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি এখন জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এমপি এম এ হান্নান কেবল রাজনৈতিক নেতা নন, স্থানীয়দের কাছে তিনি সাহস ও ত্যাগের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে টানা ১৭ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে এবং দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও তিনি জাতীয়তাবাদী চেতনা হৃদয়ে লালন করে, আদর্শকে বুকে ধারণ করে, বিচ্যুত হননি বলে নেতাকর্মীরা জানান।

আন্দোলনের রাজপথে যে তরুণ একদিন স্লোগানের কণ্ঠে স্বপ্নের আগুন জ্বালিয়েছিলেন, আজ তিনিই জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ নাসিরনগর সংসদীয় ২৪৩আসনের সংসদ সদস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য জননেতা এম এ হান্নান এমপি।

রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে সংগ্রামকে সঙ্গী, ত্যাগকে শক্তি আর জনগণকে প্রেরণা করে এগিয়ে চলার এই দীর্ঘ পথচলা কেবল একজন নেতার ব্যক্তিগত উত্থানের গল্প নয়; এটি আদর্শ, অধ্যবসায় ও জননেতৃত্বের এক অনিবার্য পরিণতির ইতিহাস।
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করা রাজপথের অকুতোভয় বীরসৈনিক এম পি এম এ হান্নান তিনি গোর্কণ ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ চৌদ্দটি বছর অতিবাহিত করেন।

দীর্ঘদিন তিনি নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এখনো সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।তার দল যখন বিরোধী দলে তখন সে অনেক হামলা মামলার সম্মুক্ষিণ হয়েছেন।অনেক বার জেলও কেটেছেন।জেলখানা থাকাবস্থায় তার মায়ের মৃত্যু হলে সে জেল থেকে পেরোলে জামিনে এসে জানাযায় অংশ গ্রহণ করেন।শুধু এম পি এম এ হান্নান নয়। বর্তমান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বশীর উদ্দিন তুহিন,সাংগঠনিক সম্পাদক এডঃ আলী আজম চৌধুরী, বিএনপি নেতা ছয়, ছয় বারের সফল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার  মোঃ আজদু মেম্বার সহ অনেক নেতাকর্মীও দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন।

কিন্তু বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এম এ হান্নানকে  অগাধ বিশ্বাস ও ভালবাসে তার নির্বাচনী এলাকার জনগণ ভোট দিয়ে এম পি নির্বাচিত করেন।বিএনবি সরকারের সাত মাসের বয়সে  তার নির্বাচনী এলাকার বেশ কয়েকটি চোখে পড়ার মত কাজের কারনে সহজেই জনগনের  হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন এম পি এম এ হান্নান।তার উল্লেখযোগ্য ও চোখে পড়ার মত কাজ গুলো হল নাসিরনগর নগর সদর বাজারের দীর্ঘদিনের ভগ্নদশায় পতিত রাস্তা ও ড্রেইন পুনঃনির্মান,
নাসিরনগর সরকারী ডিগ্রি কলেজে দুটি বিষয়ে  অনার্স কোর্স চালু, এলাকায় প্রথমবারের মতো ফারমার্স কোল্ড স্টোরেজ চালু,নাসিরনগর খেলার মাঠের সংস্কার,সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই মহাসড়ককে ফোরলেনে উন্নতি করন, ১৩টি ইউনিয়নে অবহেলিত বিভিন্ন রাস্তা- ঘাটের উন্নয়ন, ধরমন্ডল – সায়াউক সড়কের কাজের সংস্কার, খাল খনন, শিক্ষা, চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন সহ আরো  উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাজ রয়েছে। যার দ্ধারা অতিদ্রুত তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

নাসিরনগর উপজেলাবাসী তার বিভিন্ন কাজ কর্মে সন্তোষ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। একজন ভোটার বলেন, “আমরা একজন প্রকৃত জননেতাকে বেছে নিয়েছি, যিনি সুখে-দুঃখে আমাদের পাশে থাকবেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ সংসদ সদস্য হিসেবে এমপি এম এ হান্নান কাজকে আরও বাস্তবভিত্তিক করবে। তাদের প্রত্যাশা, তিনি কেবল আইন প্রণয়নেই নয়, জনগণের সমস্যা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংসদীয় কমিটির নজরে আনার ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।