1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শার্শায় যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সমাবেশ দৌলতপুরে সড়ক উন্নয়নের কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি বাদশাহ্ প্রকৃতি নতুন সাজে অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত রাণীশংকৈল রামরায় দিঘী দশমিনায় বীজ ও রাসয়নিক সার বিতরন ঠাকুরগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা কৃষক লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অবৈধ পথে ভারতে পাচার ৪ বাংলাদেশী যুবতীকে বেনাপোলে হস্তান্তর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মেম্বারের অপরাধের দায়ভার বহন করছি: বাবু চেয়ারম্যান সাপাহারে মানবিক বাংলাদেশ এর বার্ষিক সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন

মৃত কিশোরীদের সঙ্গে যৌনচার, গ্রেফতার ডোমের সহযোগী মুন্না

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে মৃত কিশোরীদের ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হাতে গ্রেফতার ডোমের সহযোগী মুন্না।

মোজাম্মেল হক,গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে মৃত কিশোরীদের ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হাতে গ্রেফতার ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্তের বিচার চাইলেন তার বাবা সুইপার দুলাল ভক্ত। তিনি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার জুরান মোল্লার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। শনিবারে দুপুরে দুলাল ভক্তের বাড়ীতে গিয়ে তার সাথে কথা বলে জানা যায়, মুন্না গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে ঢাকায় কাজে চলে যায়।

এরপর আমার স্ত্রীর মেজভাই (মুন্নার মেজমামা) যতন কুমার লালের সঙ্গে মর্গে ডোমের সহযোগী হয়ে প্রায় দেড়বছর ধরে তার বাসায় থেকে কাজ করতো। শুক্রবার স্থানীয় মানুষের মুখে শুনলাম, আমার ছেলে মুন্না ভক্ত যেখানে কাজ করত সেখানে নাকি নোংরা, নিকৃষ্ট একটা কাজ করছে। সেই সাথে এলাকার অনেক লোকজন এটা নিয়ে নানানরকম কথাবার্তা কইতেছে। আমি শুনছি লোকজন বলতেছে যে মানুষ এতো নোংরা কাজ করতে পারে, ও মানুষ না অমানুষ, মানুষ হয়েও মৃত মানুষের সাথে এ রকম কাজ করে, আরো কতো কি বলতে শুনতেছি! তবে মুন্না যে কাজ করেছে তা অন্যায় আমি ওর সঠিক বিচার চাই এই কথা বলে কেঁদে ফেলেন মুন্নার বাবা।

স্থানীয় ওই এলাকার বাসিন্দা স্বপন ভক্ত বলেন, মুন্নার কথাবার্তা আচার আচরন আগে থেকেই খুব খারাপ ছিলো, তবে সে মাঝে মধ্যে নেশা করতো বলে শুনতাম। পরে আমাদের এখান থেকে মুন্না ঢাকায় কাজের জন্য চলে যায়, যদি মুন্না এতো জঘন্য কাজ করে থাকে আমি তার বিচার চাই। গোয়ালন্দ পৌরসভার সুইপার কলোনির বাসিন্দা রাজেশ ভক্ত বলেন, নিজে মানুষ হয়েও যে মৃত মানুষের সাথে এ রকম কাজ করে সেকি মানুষ নাকি অন্যকিছু। আমি ওর সঠিক বিচার চাই। এমন বিচার হওয়া উচিত যে, পৃথিবীতে যে কোন মানুষ আর এই জঘন্য কাজ না করতে পারে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন মৃত কিশোরীর মরদেহ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। ওই কিশোরীদের বয়স ছিলো ১১ থেকে ১৭ বছর। আত্মহত্যাকারী ওই কিশোরীদের লাশ বিকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে মর্গে আনা হয়। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার এসব লাশ কাটার সময় নির্ধারণ ছিল পরদিন। রাতের বেলা লাশগুলো মর্গে রাখা হতো। মুন্না থাকত সেখানেই। লাশ পাহারার দায়িত্বও ছিল তার ওপর। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে বিকৃত মানসিকতা চরিতার্থ করত মুন্না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ
error: Content is protected !!