1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী - dailynewsbangla
বৃহস্পতিবার, ০৮ জুন ২০২৩, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষার্থীরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশের কর্ণধার… খাদ্যমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানব বন্ধন নাগরপুর দেলদুয়ারে বিভিন্ন বাজারে আলহাজ্ব জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম’র পক্ষে ব‍্যাপক প্রচারণা নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে জননেতা তারেক শামস্ খান হিমুর বিশেষ বার্তা ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বার্তা বোয়ালমারীতে রাজমিস্ত্রী হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছাত্রলীগের বহিস্কৃত সহসভাপতি, ৫ আসামি গ্রেপ্তার নাগরপুরে নবগঠিত টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগ কমিটিকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র‍্যালি সাদা মনের মানুষ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমানের বিদায়ী সংবর্ধনা দশমিনায় তিন ডায়াগনষ্টিক সেন্টারকে জরিমানা

৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না : প্রধানমন্ত্রী

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ লিখিত ছিল না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইউনেসকো কর্তৃক ৭ মার্চের ভাষণকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ডকুমেন্ট স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক নেতাই অনেক ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই ভাষণগুলো ছিল লিখিত। একটি মাত্র ভাষণ যার কোনো লিখিত ছিল না। এমনকি নোটও ছিল না। প্রতিটি কথাই তিনি বলে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জাতিকে তিনি জাগ্রত করেছিলেন আন্দোলন-সংগ্রামে। সেদিনের ভাষণের কথা মনে হলেই আমার মনে পড়ে আমার মায়ের কথা।

তিনি বলেন, অনেক লিখিত বক্তব্য বাবার হাতে দেয়া হয়েছিল। মা বাবাকে বলেছিলেন, তুমি সেই কথা বলবে, যা তোমার মনের কথা।

বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং জেলহত্যার শিকার ৪ জাতীয় নেতার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। নৌকার আদলে নির্মিত মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

এর আগে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ, এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যানার নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সমাবেশস্থল ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের আদলেই সাজানো হয়।

এসময় বাংলা একাডেমি চত্বরে ঢাকা লিট ফেস্টও চলে সুশৃঙ্খলভাবে। তিন দিন ব্যাপি এ উৎসবের আজ শেষদিন। একদিকে নাগরিক সমাবেশ অন্যদিকে চলে আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ