ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
গৌরনদীতে গণঅধিকার পরিষদের মতবিনিময় সভা: উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩টি নদীতে বাঁধ দিয়ে চলছে ইটভাটার মাটির ব্যবসা বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর একটি শাখা খাল থেকে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মান্দায় চারটি রাস্তা এইচবিবিকরণ  কাজের উদ্বোধন করলেন ডা.টিপু এমপি মহাদেবপুরে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির সুফলভোগীদের ছাগল ও খাদ্য উপকরণ বিতরণ লালপুরে ট্রাকের চাপায় শিশু শিক্ষার্থী নিহত তানোরের লব্ব্যাতলা ব্রীজ উদ্বোধন করলেন মুজিবুর রহমান এমপি ঘোড়াঘাটে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ ফিরে পেল ২৫০ পরিবার ভেড়ামারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ভেড়ামারায় ভ্রাম্যমান অভিযানে ক্লিনিকে জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

টাঙ্গাইলের শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর।

কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ  আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিজন বলেন, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি। পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলাম।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, পুলিশ সৃষ্টির পরিবারের চেয়ারম্যান রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের ৭ তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা  করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর  র‌্যাব ৭জন শিক্ষক ও পুলিশ ২ জন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের ৭ জনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন। পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদীতে গণঅধিকার পরিষদের মতবিনিময় সভা: উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার

টাঙ্গাইলের শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর।

আপডেট টাইম : ০৯:১০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২
কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ  আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিজন বলেন, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি। পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলাম।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, পুলিশ সৃষ্টির পরিবারের চেয়ারম্যান রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের ৭ তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা  করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর  র‌্যাব ৭জন শিক্ষক ও পুলিশ ২ জন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের ৭ জনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন। পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়।