ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাঘায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধে ঐক্য পরিষদের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় মাদক ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিএনপির গণমিছিল ‎ভেড়ামারায় মাদক ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিএনপির গণমিছিল ‎ আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার কালীগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযান দৌলতপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন দৌলতপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় ২৪৫ কেজি ওজনের শিবলিঙ্গ উদ্ধার,আটক ১ আড়ানী পৌরসভায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঠাকুরগাঁও ১ আসনের উপনির্বাচন; জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী মির্জা ফয়সল

টাঙ্গাইলের শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর।

কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ  আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিজন বলেন, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি। পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলাম।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, পুলিশ সৃষ্টির পরিবারের চেয়ারম্যান রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের ৭ তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা  করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর  র‌্যাব ৭জন শিক্ষক ও পুলিশ ২ জন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের ৭ জনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন। পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘায় মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধে ঐক্য পরিষদের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর।

আপডেট টাইম : ০৯:১০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২
কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ  আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিজন বলেন, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি। পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলাম।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, পুলিশ সৃষ্টির পরিবারের চেয়ারম্যান রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের ৭ তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা  করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর  র‌্যাব ৭জন শিক্ষক ও পুলিশ ২ জন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের ৭ জনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন। পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়।