ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ  সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ড, হয়রানি শিকার নিরীহ ব্যক্তি: নেপথ্যে এ. এস. আই ফায়াজ প্রান্তিক মানুষের স্বাবলম্বীতা গড়ে তুলতে ব্র্যাকের মানবিক উদ্যোগ জাপানের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১ ভেড়ামারায় নিঃস্ব দুই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন  ইউএনও ভেড়ামারায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে অভিযানে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস ২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন পায়নি রাজশাহীর সিএমএম আদালত সাংবাদিক সুরুজ আলীর মুক্তিসহ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

টাঙ্গাইলের শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর।

কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ  আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিজন বলেন, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি। পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলাম।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, পুলিশ সৃষ্টির পরিবারের চেয়ারম্যান রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের ৭ তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা  করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর  র‌্যাব ৭জন শিক্ষক ও পুলিশ ২ জন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের ৭ জনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন। পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎

টাঙ্গাইলের শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর।

আপডেট টাইম : ০৯:১০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২
কাজী মোস্তফা রুমি, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ  আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বিজন বলেন, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি। পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়েছিলাম।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, পুলিশ সৃষ্টির পরিবারের চেয়ারম্যান রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের ৭ তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা  করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর  র‌্যাব ৭জন শিক্ষক ও পুলিশ ২ জন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের ৭ জনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন। পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়।