ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ফিরোজ কবির ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ চলছে অনলাইন প্রতারণা, প্রতারণার শিকার হয়েছে কম্বোডিয়া হাজারো প্রবাসী ​মা-চাচির ঝগড়ার বলি আড়াই বছরের নুজাইফা, হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখে চাচি রাজশাহীতে জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫ ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ’৯২ ব্যাচের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশের সবার জন্য -জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে কঠোর নজরদারি, গৌরনদীতে পরিদর্শনে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান ঘোড়াঘাটে পল্লী বিকাশ সহায়ক সংস্থার আয়োজনে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালপুরে সিমেন্টের অতিরিক্ত দাম নেওয়ায় কৃষকের প্রতিবাদ, নির্মম পিটুনিতে ৬ দিন পর মৃত্যু” বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ এর ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত

প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে অসয়হায় ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: “আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে নীলফামারীতে ৬৩৭ টি অসয়হায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই। চার দিকে ইটের দেয়াল এবং মাথার উপর সবুজ টিনের ছাউনি তৈরী ঘর যেনো উঁকি দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রথম ধাপে নীলফামারীর সদরে ৯৯টি, সৈয়দপুরে ৩৪টি, জলঢাকায় ১৪১টি, ডোমারে ৩৮টি, ডিমলায় ১৮৫টি এবং কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ১৪০টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারী খাস জমিতে তৈরী এ সকল সেমিপাকা বসত ঘরে রয়েছে দুটি কক্ষ ও একটি করে বারান্দা, বাথরুম ও রান্নাঘর।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকে প্রধান করে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রাখা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের। কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত নির্মাণাধীন কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ন্ত্রণে কর্ম এলাকা পরিদর্শন করছেন। ইতোমধ্যে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, ষাটার্দ্ধ প্রবীণ ভূমিহীন ব্যক্তি হিসেবে যারা ঘরগুলা পাবেন তাদের বাছাইও করা হয়েছ। নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার বলেন, কাজের মান শতভাগ ঠিক রাখতে আমরা কোন আপষ করছিনা।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বলেন, আমরা নিয়মিত কাজগুলো তদারকি করছি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেয়া এই প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই উপকারভোগীদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দিতে পারবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফিরোজ কবির ফুটবল একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে অসয়হায় ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই

আপডেট টাইম : ০৬:১১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: “আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে নীলফামারীতে ৬৩৭ টি অসয়হায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই। চার দিকে ইটের দেয়াল এবং মাথার উপর সবুজ টিনের ছাউনি তৈরী ঘর যেনো উঁকি দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রথম ধাপে নীলফামারীর সদরে ৯৯টি, সৈয়দপুরে ৩৪টি, জলঢাকায় ১৪১টি, ডোমারে ৩৮টি, ডিমলায় ১৮৫টি এবং কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ১৪০টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারী খাস জমিতে তৈরী এ সকল সেমিপাকা বসত ঘরে রয়েছে দুটি কক্ষ ও একটি করে বারান্দা, বাথরুম ও রান্নাঘর।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকে প্রধান করে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রাখা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের। কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত নির্মাণাধীন কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ন্ত্রণে কর্ম এলাকা পরিদর্শন করছেন। ইতোমধ্যে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, ষাটার্দ্ধ প্রবীণ ভূমিহীন ব্যক্তি হিসেবে যারা ঘরগুলা পাবেন তাদের বাছাইও করা হয়েছ। নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার বলেন, কাজের মান শতভাগ ঠিক রাখতে আমরা কোন আপষ করছিনা।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বলেন, আমরা নিয়মিত কাজগুলো তদারকি করছি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেয়া এই প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই উপকারভোগীদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দিতে পারবো।