ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কুষ্টিয়া মুক্ত স্কাউটদলের দুই দিনব্যাপী ডে- ক্যাম্পের সমাপনী রাজশাহীতে ১০ দলের অংশগ্রহণে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় মাদকসহ যুবক আটক, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা ঘোড়াঘাটে ট্রাকের ধাক্কায় মা-মেয়ের মৃত্যু, মোটরসাইকেল চালক আহত সিলেটের সেই সুমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা মামলার হয়রাণীতে দিশেহারা কৃষকের প্রশ্ন,ফসল ফলিয়েও ন্যায্য মূল্য নেই; আর কত? ৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিজয়ী মির্জা ফখরুল ঘোড়াঘাটে দাম্পত্য কলহের বলি শিশু তাসপিয়া সৎ বাবা গ্রেপ্তার বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে ভেড়ামারায় যুবক গ্রেফতার, থানায় মামলা

দশমিনায় ব্রিজ নির্মানের দাবীতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন

মোঃ বেল্লাল হোসেন দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার সকাল ১০টায় ১নং রনগোপালদী ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডের জগত দাস গ্রামে চলাভাঙ্গা খালের উপর ভাঙ্গ-চুড়া ব্রিজটি নতুন করে নির্মানের দাবিদে ২০ নং রনগোপালদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন করেন।

২০ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওলাদ হোসেন মিলন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ভাঙ্গা-চুড়া ব্রিজটি আজও সংস্কার করা হয়নি। ব্রিজটি ভেঙ্গে গিয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হওয়ায় জগত দাস গ্রাম থেকে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড়শত শিক্ষার্থী ক্লাশে না আসতে পারায় ব্যহত হচ্ছে লেখাপড়া এবং শাক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।

ব্রিজটি দিয়ে যাওয়া আশার জন্য দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্কুল-কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর। ঐ এরাকার সাখাওয়াত হোসেন মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ব্রিজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে কিন্তু দেখার বুজি কেউ নেই। জীবন ঝুঁকি নিয়ে পাড়াপাড় হতে হয় ছোট বড় ও বৃদ্ধদের। এভাবে ভাঙ্গা ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কোমল মতি স্কুল-শিক্ষার্থী সহ প্রায় ৩ থেকে ৪ শতাধিক মানুষের।

স্কুল-কলেজ মাদ্রাসা এবং উলানিয়া -রনগোপালদী বাজার যাতের জন্য একমাত্র যাতায়েতের পথ এই ব্রিজটি চলাচলে দূর্ভোগ চরমে। এলাকাবাসী ইলিয়াজ হাওলাদার জানান , প্রতিদিন ভাঙ্গা-চুড়া ব্রিজটি দিয়ে পাড়াপাড় করতে গিয়ে বই-খাতা কলম নিয়ে শিক্ষার্থীরা কাদায়-পানিতে একাকার হতো অনেক সময়, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়াপাড় হলেও চরম ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

উপজেলা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ দ্রুত নতুন ব্রিজের দাবী জানাচ্ছি। উপজেলা প্রকৌশলী মকবুল হোসেন বলেন, কবে কখন মানববন্ধন হয়েছে তা আমি জানিনা, ব্রিজ ভেঙ্গেছে তাও জানিনা, তবে অফিসের লোক পাঠিয়ে খোজ খবর নিয়ে দেখবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া মুক্ত স্কাউটদলের দুই দিনব্যাপী ডে- ক্যাম্পের সমাপনী

দশমিনায় ব্রিজ নির্মানের দাবীতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৪:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

মোঃ বেল্লাল হোসেন দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার সকাল ১০টায় ১নং রনগোপালদী ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডের জগত দাস গ্রামে চলাভাঙ্গা খালের উপর ভাঙ্গ-চুড়া ব্রিজটি নতুন করে নির্মানের দাবিদে ২০ নং রনগোপালদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন করেন।

২০ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওলাদ হোসেন মিলন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ভাঙ্গা-চুড়া ব্রিজটি আজও সংস্কার করা হয়নি। ব্রিজটি ভেঙ্গে গিয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হওয়ায় জগত দাস গ্রাম থেকে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড়শত শিক্ষার্থী ক্লাশে না আসতে পারায় ব্যহত হচ্ছে লেখাপড়া এবং শাক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।

ব্রিজটি দিয়ে যাওয়া আশার জন্য দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্কুল-কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর। ঐ এরাকার সাখাওয়াত হোসেন মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ ব্রিজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে কিন্তু দেখার বুজি কেউ নেই। জীবন ঝুঁকি নিয়ে পাড়াপাড় হতে হয় ছোট বড় ও বৃদ্ধদের। এভাবে ভাঙ্গা ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কোমল মতি স্কুল-শিক্ষার্থী সহ প্রায় ৩ থেকে ৪ শতাধিক মানুষের।

স্কুল-কলেজ মাদ্রাসা এবং উলানিয়া -রনগোপালদী বাজার যাতের জন্য একমাত্র যাতায়েতের পথ এই ব্রিজটি চলাচলে দূর্ভোগ চরমে। এলাকাবাসী ইলিয়াজ হাওলাদার জানান , প্রতিদিন ভাঙ্গা-চুড়া ব্রিজটি দিয়ে পাড়াপাড় করতে গিয়ে বই-খাতা কলম নিয়ে শিক্ষার্থীরা কাদায়-পানিতে একাকার হতো অনেক সময়, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়াপাড় হলেও চরম ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

উপজেলা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ দ্রুত নতুন ব্রিজের দাবী জানাচ্ছি। উপজেলা প্রকৌশলী মকবুল হোসেন বলেন, কবে কখন মানববন্ধন হয়েছে তা আমি জানিনা, ব্রিজ ভেঙ্গেছে তাও জানিনা, তবে অফিসের লোক পাঠিয়ে খোজ খবর নিয়ে দেখবো।