ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
নাগরপুরের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ নাজমুল হক তপনের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন আহসানুল হক পাঁচা মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন ফার্ম রোড স্পোর্টিং একাদশ মডেল গ্রাম গঠনে তরুণদের উদ্যোগ ‘টিএফসি-ধর্মদহ’ শিক্ষা, সবুজায়ন ও ক্ষুধামুক্তির লক্ষ্যে অনন্য দৃষ্টান্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ সমাবেশে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি মির্জা ফয়সালের ঝিনাইদহ নলডাঙ্গার ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিসে দেরিতে আসার অভিযোগ কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ৮০ বছর বয়সেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভেড়ামারায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস একই মেয়ের সাথে মামা ও ভাগ্নের পরকীয়া প্রেম: এ নিয়ে ভাগ্নির হাতে মামা খু*ন, আটক ভাগ্নে মাসুদ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তদারকি জোরদারের দাবি

দৌলতপুরে বন বিভাগের মালী থেকে, মালিক হয়েছে কবির হোসেন!

ছবি: দৌলতপুর বন বিভাগ।

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বন বিভাগের মালি কবির হোসেনই বন বিভাগের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এখানে কোন কর্মকর্তা আসেন না তাই মালী থেকে শুরু করে কর্মকর্তার কাজ সবই করে আসছেন কবির হোসেন। ফলে তার দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। গাছের চারা উৎপাদন, পরিচর্যা ও বিক্রয়, গাছের নিলাম, বিক্রয়, বনায়ন সহ নানাবিধ কর্ম সম্পাদন করে থাকেন তিনি। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া জেলা শহরে থাকেন। কোন মাসে আসেন আবার কোন মাসে আসেন না।

গত দুদিন ধরে গোয়ালগ্রাম-শরিষাডুলি-নাটনাপাড়া সড়কের বনায়ন কর্মসুচির আওতায় বন বিভাগ সমিতির ৫৯জন উপকারভোগীর জনপ্রতি লাভের অংশ ৪৬০১ টাকার চেক বিতরণ কালে ৫’শ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বন বিভাগের মালির বিরুদ্ধে। জানাযায়, গত ৭ই জানুয়ারী সামাজিক বন বিভাগ সমিতির আওতায় উপকার ভোগীদের মাঝে চেক বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও জেলা সামাজিক বন বিভাগ কর্মকর্তা। ঐ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচের নামে ৫৯জন উপকার ভোগীদের মাঝে ৪৬০১ টাকার চেক প্রদান করার সময় নগদ ৫‘শ টাকা নেবার পরই চেক দিয়েছে মালী কবির হোসেন।

উপকার ভোগীরা জানায়, দৌলতপুর উপজেলা সামাজিক বন বিভাগের একমাত্র কর্মচারী কবির হোসেন উপকারভোগীদের চেক প্রদানের সময় বিভিন্ন খরচের কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ ৫‘শ টাকা নিয়ে তারপর চেক দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্যাপারে অভিযুক্ত মালী কবির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিষয়টি কাউকে না বলার কথা বলেন এবং নানা ভাবে এই প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। উপজেলা বন সম্প্রসারন কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানিনা। তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। তাই যাবতীয় কাজ কর্মচারী কবির সম্পাদন করে থাকেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাগরপুরের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ নাজমুল হক তপনের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন

দৌলতপুরে বন বিভাগের মালী থেকে, মালিক হয়েছে কবির হোসেন!

আপডেট টাইম : ০৮:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২১

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বন বিভাগের মালি কবির হোসেনই বন বিভাগের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এখানে কোন কর্মকর্তা আসেন না তাই মালী থেকে শুরু করে কর্মকর্তার কাজ সবই করে আসছেন কবির হোসেন। ফলে তার দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। গাছের চারা উৎপাদন, পরিচর্যা ও বিক্রয়, গাছের নিলাম, বিক্রয়, বনায়ন সহ নানাবিধ কর্ম সম্পাদন করে থাকেন তিনি। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া জেলা শহরে থাকেন। কোন মাসে আসেন আবার কোন মাসে আসেন না।

গত দুদিন ধরে গোয়ালগ্রাম-শরিষাডুলি-নাটনাপাড়া সড়কের বনায়ন কর্মসুচির আওতায় বন বিভাগ সমিতির ৫৯জন উপকারভোগীর জনপ্রতি লাভের অংশ ৪৬০১ টাকার চেক বিতরণ কালে ৫’শ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বন বিভাগের মালির বিরুদ্ধে। জানাযায়, গত ৭ই জানুয়ারী সামাজিক বন বিভাগ সমিতির আওতায় উপকার ভোগীদের মাঝে চেক বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও জেলা সামাজিক বন বিভাগ কর্মকর্তা। ঐ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচের নামে ৫৯জন উপকার ভোগীদের মাঝে ৪৬০১ টাকার চেক প্রদান করার সময় নগদ ৫‘শ টাকা নেবার পরই চেক দিয়েছে মালী কবির হোসেন।

উপকার ভোগীরা জানায়, দৌলতপুর উপজেলা সামাজিক বন বিভাগের একমাত্র কর্মচারী কবির হোসেন উপকারভোগীদের চেক প্রদানের সময় বিভিন্ন খরচের কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ ৫‘শ টাকা নিয়ে তারপর চেক দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ব্যাপারে অভিযুক্ত মালী কবির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিষয়টি কাউকে না বলার কথা বলেন এবং নানা ভাবে এই প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। উপজেলা বন সম্প্রসারন কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানিনা। তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। তাই যাবতীয় কাজ কর্মচারী কবির সম্পাদন করে থাকেন বলে তিনি জানিয়েছেন।