ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজশাহীর বিভিন্ন দেওয়ালে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস বিরোধী পোষ্টার জৈন্তাপুর সারী ৩ বালু মহালে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রমান মেলেনি, সরেজমিন পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ কুষ্টিয়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফডারশনর বিশাল গণমিছিল ও সমাবশ অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ গড়তে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু দৌলতপুরে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন নাগরপুরে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে গোপনে বিয়ে এবং অন্য নারীকে বিয়ে করে সংসার করার অভিযোগ।

বাগমারায় ধর্ষণ মামলাকে প্রভাবিত করে সমাধান করলেন এলাকার প্রভাবশালীরা

রাজশাহীঃ রাজশাহীর বাগমারায় ধর্ষন মামলাকে প্রভাবিত করে সমাধান করতে মরিয়া এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

ঘটনাটি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আউসপাড়া ইউনিয়নের মুগাইপাড়া গ্রামে ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্রমতে জানাযায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার মুগাইপাড়া ( কবিরাজ পাড়া) আব্দুস সালামের ছেলে হাসান মাহমুদ একই গ্রামের জৈনক ব্যক্তির ১০ম শ্রেনী পড়ুয়া মেয়ের সাথে তার শয়নকক্ষে হাতে-নাতে ধরে মেয়ের পরিবারের লোকজন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের লোকজন এসে জোরপুর্বক ছেলেকে বের করে নিয়ে যায়। এবং এর সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন।

কিন্তু সামধানের পরিবর্তে মেয়ের পরিবারের উপর দোসারোপ করেন এলাকার প্রভাবশালী আঃ কাশেমের দুই ছেলে মাসুদ মাষ্টার, মোঃ বাবু ও তার সহযোগিরা। পরে বাধ্য হয়ে মেয়ের পরিবার সংশ্লিষ্ট থানার আশ্রয় নেয়। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনার বিবরণ শুনে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯/১ ধারায় মামলা রেকর্ড করেন। যার মামলা নং ৬ / ২ ১।

মামলা হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে এলাকার প্রভাবশালী মাসুদ মাষ্টার ও ধর্ষক হাসানের পরিবার। কৌশল করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মেয়ের পরিবারকে আপসে বাধ্য করায়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রাম্য সালীশ বসিয়ে মেয়ে ও তার পরিবার মিথ্যা মামলা করেছে বলে দোসারোপ করে এবং মামলা তুলে নিতে মোটা অংকের লোভ দেখাই। অবশেষে কিছু টাকার বিনিময়ে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করায় মেয়ের পরিবারকে। পরবর্তীতে মামলার বিষয়ে মেয়ের পরিবারের সাথে কথা বললে তারা কোন কথা বলতে রাজি হননি। তারা বলেন, আমাদের কাউকে কোন কথা বলা নিষেধ আছে।

এবিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আতাউর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ধর্ষনের মামলা করা হয়েছে। আসামীকে ধরার জন্য চেষ্টা চলছে যেকোন সময় আসামী ধরে ফেলবো ইনশাল্লাহ। তবে আপস মিমাংসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানা নাই, তবে ধর্ষণ মামলায় কোন আপসের সুযোগ নাই। এ মামলার বিচার হবে আদালতে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাগমারায় ধর্ষণ মামলাকে প্রভাবিত করে সমাধান করলেন এলাকার প্রভাবশালীরা

আপডেট টাইম : ০৯:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

রাজশাহীঃ রাজশাহীর বাগমারায় ধর্ষন মামলাকে প্রভাবিত করে সমাধান করতে মরিয়া এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

ঘটনাটি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আউসপাড়া ইউনিয়নের মুগাইপাড়া গ্রামে ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সূত্রমতে জানাযায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার মুগাইপাড়া ( কবিরাজ পাড়া) আব্দুস সালামের ছেলে হাসান মাহমুদ একই গ্রামের জৈনক ব্যক্তির ১০ম শ্রেনী পড়ুয়া মেয়ের সাথে তার শয়নকক্ষে হাতে-নাতে ধরে মেয়ের পরিবারের লোকজন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের লোকজন এসে জোরপুর্বক ছেলেকে বের করে নিয়ে যায়। এবং এর সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন।

কিন্তু সামধানের পরিবর্তে মেয়ের পরিবারের উপর দোসারোপ করেন এলাকার প্রভাবশালী আঃ কাশেমের দুই ছেলে মাসুদ মাষ্টার, মোঃ বাবু ও তার সহযোগিরা। পরে বাধ্য হয়ে মেয়ের পরিবার সংশ্লিষ্ট থানার আশ্রয় নেয়। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনার বিবরণ শুনে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯/১ ধারায় মামলা রেকর্ড করেন। যার মামলা নং ৬ / ২ ১।

মামলা হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে এলাকার প্রভাবশালী মাসুদ মাষ্টার ও ধর্ষক হাসানের পরিবার। কৌশল করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মেয়ের পরিবারকে আপসে বাধ্য করায়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রাম্য সালীশ বসিয়ে মেয়ে ও তার পরিবার মিথ্যা মামলা করেছে বলে দোসারোপ করে এবং মামলা তুলে নিতে মোটা অংকের লোভ দেখাই। অবশেষে কিছু টাকার বিনিময়ে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করায় মেয়ের পরিবারকে। পরবর্তীতে মামলার বিষয়ে মেয়ের পরিবারের সাথে কথা বললে তারা কোন কথা বলতে রাজি হননি। তারা বলেন, আমাদের কাউকে কোন কথা বলা নিষেধ আছে।

এবিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আতাউর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ধর্ষনের মামলা করা হয়েছে। আসামীকে ধরার জন্য চেষ্টা চলছে যেকোন সময় আসামী ধরে ফেলবো ইনশাল্লাহ। তবে আপস মিমাংসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জানা নাই, তবে ধর্ষণ মামলায় কোন আপসের সুযোগ নাই। এ মামলার বিচার হবে আদালতে।