ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু লালপুরে সাংবাদিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার মাহফিল সমাজিক যোগযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদসম্মেলন। অসহায়দের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে গৌরনদীতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের বাবার জানাজার ৩ ঘন্টা আগে মাছ চুরির অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা লালপুরে পল্লী বিদ্যুৎ এর অফিসের সামনে বিদ্যুতের মিটার চুরি গৌরনদীতে ‘কুতুবপুর স্বনির্ভর খাল’ পুনঃখনন কাজের জমকালো উদ্বোধন কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে চকলেট বাজি, ঔষধ ও পাতার বিড়ি উদ্ধার তানোরে এতিমখানা ও মাদ্রাসায় সৌদির উপহারের খেজুর বিতরণ

প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গেল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলার মৌসুমী দ্ধীপের,খোলা পযাটন কেন্দ্র।

তার ঘুটি বাঁধতে না বাঁধতে ফের কোটালের জল উচ্ছ্বাস এর ফলে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে গোটা মৌসুমী দ্ধীপের পর্যটন কেন্দ্র।


ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম: প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গেল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলার মৌসুমী দ্ধীপের,খোলা পযাটন কেন্দ্র। এই মৌসুমী দ্ধীপটি সুন্দর বন এলাকার নামখানা এলাকায়। এখানে প্রতি বৎসর লক্ষ লক্ষ মানুষ সাগরের ঢেউ খেলা দেখতে আসে।

এবং স্হানীয় বাসিন্দা দের আয় এই পযাটন কেন্দ্র থেকে আসে। দীর্ঘ, মাস করোনা ভাইরাস এর জন্য বন্ধ ছিল।তার পর এই এলাকার উপর দিয়ে বয়ে গেছে আমপান ঘুর্নিঝড়।এই ঘূর্ণিঝড় ঝড়ের দাপটে চুরমার হয়ে যায় গোটা এলাকা। তার ঘুটি বাঁধতে না বাঁধতে ফের কোটালের জল উচ্ছ্বাস এর ফলে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে গোটা মৌসুমী দ্ধীপের পর্যটন কেন্দ্র।

স্হানীয় প্রশাসন পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।ফের যাতে সাধারণ মানুষ মৌসুমী দ্ধীপ মুখি হয় তার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসক। সঙ্গে পশ্চিম বাংলা সরকারের সাহায্য।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু

প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গেল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলার মৌসুমী দ্ধীপের,খোলা পযাটন কেন্দ্র।

আপডেট টাইম : ০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম: প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গেল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলার মৌসুমী দ্ধীপের,খোলা পযাটন কেন্দ্র। এই মৌসুমী দ্ধীপটি সুন্দর বন এলাকার নামখানা এলাকায়। এখানে প্রতি বৎসর লক্ষ লক্ষ মানুষ সাগরের ঢেউ খেলা দেখতে আসে।

এবং স্হানীয় বাসিন্দা দের আয় এই পযাটন কেন্দ্র থেকে আসে। দীর্ঘ, মাস করোনা ভাইরাস এর জন্য বন্ধ ছিল।তার পর এই এলাকার উপর দিয়ে বয়ে গেছে আমপান ঘুর্নিঝড়।এই ঘূর্ণিঝড় ঝড়ের দাপটে চুরমার হয়ে যায় গোটা এলাকা। তার ঘুটি বাঁধতে না বাঁধতে ফের কোটালের জল উচ্ছ্বাস এর ফলে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে গোটা মৌসুমী দ্ধীপের পর্যটন কেন্দ্র।

স্হানীয় প্রশাসন পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।ফের যাতে সাধারণ মানুষ মৌসুমী দ্ধীপ মুখি হয় তার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসক। সঙ্গে পশ্চিম বাংলা সরকারের সাহায্য।