1. zillu.akash@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@dailynewsbangla.com : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা। বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর দাড়িয়ে থাকা পিকআপকে অপর পিকআপের ধাক্কা, চালক নিহত। দশমিনায় অবৈধ বালু উত্তোলনে তিনটি বলগেট আটক ও তিনজকে জরিমানা। দৌলতপুরের নির্মাণাধীন বিল্ডিং ভাংচুর : আহত ২ গৌরবোজ্জ্বল অতীত নিয়ে ১০২ বর্ষে ঢাবি। নাগরপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা ভেড়ামারা পৌর এলাকার রাস্তা ধ্বংসকারীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বাংলার মাটি রক্ষা জাতীয় কমিটির মানববন্ধন মোহনপুরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের “বিধি ও প্রবিধিমালার প্রয়োগ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত  দশমিনায় চাঞ্চল্যকর রমেন আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় মূল আসামীসহ গ্রেফতার ৫ ভেড়ামারায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

দৌলতপুরে গণহত্যার স্বীকার শহীদরা ৫০বছরেও স্বীকৃতি পাননি

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

দৌলতপুর(কুষ্টিয়া)প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের গোয়ালগ্রাম গণহত্যা দিবসের ৫০ বছর আজ। ১৯৭১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকহানাদার বাহিনী অতর্কিত হামলা চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ ১৭ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করে। আহত হন দুই মুক্তিযোদ্ধাসহ অসংখ্য নারী-পুরুষ।

জ্বালিয়ে দেয়া হয় গ্রামের অসংখ্য ঘর-বাড়ি। তবে দু:খের বিষয় স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছরেও এ গণহত্যার শিকার হওয়া শহীদরা পাননি কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। ১৯৭১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাতে একদল মুক্তিযোদ্ধা দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের গোয়ালগ্রাম ফরাজী বাড়িতে অবস্থান নেয়।

মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকহানাদার বাহিনী ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে অতর্কিত গুলি চালায়। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ কেউ তখন পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন। আবার কেউ পাল্টা গুলি করে। তবে পাকহানাদার বাহিনীর পরিকল্পিত গুলি বর্ষণে ফরাজী বাড়িতে অবস্থান নেয়া মুক্তিযোদ্ধাসহ ওই পরিবারে ১৭ জন শহীদ হয়।

নিহতদের গণকরব দেয়া হয় ওই বাড়ির পিছনের বাগানে। পাকবাহিনীর দেয়া আগুনে পুড়ে যায় ওই গ্রামের অনেক বাড়ি।সেদিনের স্মৃতি বর্নণা করতে দিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন যুদ্ধে অংশ নেয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আফফান।

পাকহানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ ও দুঃসহ স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি ওই সময়ের ৮ বছর বয়সী গুলিবিদ্ধ জয়তুন নেছা। বাম বাহুতে গুলি লাগা সেদিনের শিশু জয়তুন নেছা প্রানে বাঁচলেও পরিবারের সবাইকে হারিয়ে আজও তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন দুঃসহ যন্ত্রনা। পরিবারের সকল শহীদদের স্বীকৃতি দেয়া হোক এমনটাই দাবি তার।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গণকবরস্থলের শহীদদের স্মরণে স্মৃতিফলক নির্মান করা হয়েছে। এই দিনটি উপলক্ষে সেখানে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান শহীদ পরিবরের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ