ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঘোড়াঘাটে ধান কর্তন ও সজিনার চারা রোপণের উদ্বোধন করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী  লালপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০,মোটরসাইকেলে আগুন তানোরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন সিলেট বিভাগে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দাওকান্দি কলেজ প্রদর্শক হীরার বিরুদ্ধে  মারধর ও অসদাচরণের অভিযোগ আগৈলঝাড়ায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার: দেড় বছরের কারাদণ্ড ভেড়ামারায় রেললাইনে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার জিয়া খাল খনন এলাকা পরিদর্শন করলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক বাগমারা পুলিশের অভিযানে অপহৃত ৭ মাসের শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার মূল আসামি ধামকুড়ি গণহত্যা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও মোমবাতি প্রজ্জলন

রাজশাহীর বাঘায় সরকারি রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ

সরকারি রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ।

সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুরিয়া সাহপাড়া গ্রামে শত বছরের পুরনো একটি সরকারি রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায় , উপজেলার বাঘা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড সাহপাড়া গ্রামে হাফিজুল, কালু, চাহার ও সুবাসের জমির দক্ষিণ দিয়ে ১০ ফিট প্রস্থের মেঠোপথ শত বছর পূর্বথেকে সরকারি ভাবে নির্ধারিত। এই রাস্তাটি রেকর্ড ও নকশায় উল্লেখ আছে।

কিন্তু সাহপাড়া গ্রামের শ্রী জিতেন সাহার ছেলে তরুণ ও বিষু সাহ আনুমানিক ১৩ বছর আগে সরকারি এই রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করে। তারপর অমূল্য সাহের ছেলে গনেষ ও নিরঞ্জন সাহও আনুমানিক ১০ বছর আগে সরকারি এ রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করে।

বাড়ি তৈরীর সময় তারা যানতেন যে এই জায়গাটা সরকারি রাস্তার জন্য নির্ধারিত, তারপর ও বাড়ি নির্মাণ করে রাস্তাটি দখল করেন তারা। এলাকা বাসী তাদের বললে উত্তরে জানায় প্রয়োজন হলে বাড়ি সরিয়ে নিবেন। কিন্তু এখন আর তা মানতে চাচ্ছেন না তারা।

চলতি বছরে বাঘা পৌরসভা থেকে জনগনের চলাচলের সুবিধার্থে পাকা রাস্তা নির্মাণের সময় বাধে জটিলতা। একাধিক বার মাপ যোগ করে দেখাযায় যে ১৯২২ সালের রেকর্ড অনুসারে ১০ ফিট প্রস্থের এই রাস্তার ৮ ফিট জমি দখল করে রেখেছেন তরুন, বিষু, গনেষ ও নিরঞ্জন।

এখন আর দখল কৃত জমি ছাড়তে চাচ্ছেন না দখল দাররা। তাদের মতে উত্তর দিকের হাফিজুল, কালু, চাহার ও সুবাস সাহারা ফাঁকা জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান দখল কারিরা।

এলাকাবাসী দের মতে সরকারি রাস্তার জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করেছে তরুন, বিষু, গনেষ ও নিরঞ্জন আর অন্যরা কেন রাস্তায় জমি দিবে, এটা কোন আইন? সরকারি ভাবে রাস্তার জমি না থাকলে বিষয়টা আলাদা ছিল।তাদের জমিও কম নেয়। বর্ষামৌসুমে আমাদের চলাচলের ভিসন সমস্যা হয়, রাস্তাটা আমাদের খুব প্রয়োজন। এই জটিলতা কে কেন্দ্রকরে এখন রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি বলে জানান এলাকাবাসী।

অবৈধ দখলদার তরুন, বিষু, গনেষ, নিরঞ্জন বলেন, দীর্ঘদিন আগে জায়গা না মেপে বসতবাড়ি নির্মাণ করেছি। অপরদিকে হাফিজুল, কালু, চাহার ও সুবাস সাহারা বলেন, মাপযোগের পরো আমরা রাস্তার জন্য ২.৫ থেকে ৩ ফিট জমি ছেরে সীমানা করেছি। রাতের আধারে সেই সীমানা পিলার কে বা কাহারা ভেঙ্গেদিয়েছে, তাতেও কাউকে কিছু বলিনি।

রেকর্ড ও নকশায় যে ভাবে রাস্তা উল্লেখ আছে সেই ভাবে রাস্তা আমাদের সহ এলাকা বাসীর দাবি।তারা ভূমিহীন বা অসহায় না যে সরকারি রাস্তা দখল করে বাড়ি তৈরী করবে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং অনুরোধ জানাচ্ছি প্রশাসন যাতে এলাকাবাসীর ন্যায্য সরকারি রাস্তাটা পাইয়েদিতে সহায়তা করে।

উল্লেখ্য বিষয়, প্রয়োজনে এলাকাবাসীরা লিখিত ভাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ডিসি অফিস, উপজেলা ইউএনও অফিস,ভূমি অফিস বরাবর অভিযোগ করবেন।এবং সেই সাথে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আলতাব হোসেন বলেন, পরিমাণ করে দেখা গেছে সরকারি রাস্তার জমি তরুন, বিষু, গনেষ, নিরঞ্জনের মধ্যেই আছে। স্থানীয় ভাবে সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে নিয়ে বসেছিলাম, কিন্তু দখলদাররা মানেনি। দুই পক্ষের সমঝোতা ছাড়া রাস্তা নির্মাণ সম্ভব না।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঘোড়াঘাটে ধান কর্তন ও সজিনার চারা রোপণের উদ্বোধন করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী 

রাজশাহীর বাঘায় সরকারি রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ

আপডেট টাইম : ০৭:১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুরিয়া সাহপাড়া গ্রামে শত বছরের পুরনো একটি সরকারি রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায় , উপজেলার বাঘা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড সাহপাড়া গ্রামে হাফিজুল, কালু, চাহার ও সুবাসের জমির দক্ষিণ দিয়ে ১০ ফিট প্রস্থের মেঠোপথ শত বছর পূর্বথেকে সরকারি ভাবে নির্ধারিত। এই রাস্তাটি রেকর্ড ও নকশায় উল্লেখ আছে।

কিন্তু সাহপাড়া গ্রামের শ্রী জিতেন সাহার ছেলে তরুণ ও বিষু সাহ আনুমানিক ১৩ বছর আগে সরকারি এই রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করে। তারপর অমূল্য সাহের ছেলে গনেষ ও নিরঞ্জন সাহও আনুমানিক ১০ বছর আগে সরকারি এ রাস্তা দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করে।

বাড়ি তৈরীর সময় তারা যানতেন যে এই জায়গাটা সরকারি রাস্তার জন্য নির্ধারিত, তারপর ও বাড়ি নির্মাণ করে রাস্তাটি দখল করেন তারা। এলাকা বাসী তাদের বললে উত্তরে জানায় প্রয়োজন হলে বাড়ি সরিয়ে নিবেন। কিন্তু এখন আর তা মানতে চাচ্ছেন না তারা।

চলতি বছরে বাঘা পৌরসভা থেকে জনগনের চলাচলের সুবিধার্থে পাকা রাস্তা নির্মাণের সময় বাধে জটিলতা। একাধিক বার মাপ যোগ করে দেখাযায় যে ১৯২২ সালের রেকর্ড অনুসারে ১০ ফিট প্রস্থের এই রাস্তার ৮ ফিট জমি দখল করে রেখেছেন তরুন, বিষু, গনেষ ও নিরঞ্জন।

এখন আর দখল কৃত জমি ছাড়তে চাচ্ছেন না দখল দাররা। তাদের মতে উত্তর দিকের হাফিজুল, কালু, চাহার ও সুবাস সাহারা ফাঁকা জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান দখল কারিরা।

এলাকাবাসী দের মতে সরকারি রাস্তার জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করেছে তরুন, বিষু, গনেষ ও নিরঞ্জন আর অন্যরা কেন রাস্তায় জমি দিবে, এটা কোন আইন? সরকারি ভাবে রাস্তার জমি না থাকলে বিষয়টা আলাদা ছিল।তাদের জমিও কম নেয়। বর্ষামৌসুমে আমাদের চলাচলের ভিসন সমস্যা হয়, রাস্তাটা আমাদের খুব প্রয়োজন। এই জটিলতা কে কেন্দ্রকরে এখন রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি বলে জানান এলাকাবাসী।

অবৈধ দখলদার তরুন, বিষু, গনেষ, নিরঞ্জন বলেন, দীর্ঘদিন আগে জায়গা না মেপে বসতবাড়ি নির্মাণ করেছি। অপরদিকে হাফিজুল, কালু, চাহার ও সুবাস সাহারা বলেন, মাপযোগের পরো আমরা রাস্তার জন্য ২.৫ থেকে ৩ ফিট জমি ছেরে সীমানা করেছি। রাতের আধারে সেই সীমানা পিলার কে বা কাহারা ভেঙ্গেদিয়েছে, তাতেও কাউকে কিছু বলিনি।

রেকর্ড ও নকশায় যে ভাবে রাস্তা উল্লেখ আছে সেই ভাবে রাস্তা আমাদের সহ এলাকা বাসীর দাবি।তারা ভূমিহীন বা অসহায় না যে সরকারি রাস্তা দখল করে বাড়ি তৈরী করবে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং অনুরোধ জানাচ্ছি প্রশাসন যাতে এলাকাবাসীর ন্যায্য সরকারি রাস্তাটা পাইয়েদিতে সহায়তা করে।

উল্লেখ্য বিষয়, প্রয়োজনে এলাকাবাসীরা লিখিত ভাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ডিসি অফিস, উপজেলা ইউএনও অফিস,ভূমি অফিস বরাবর অভিযোগ করবেন।এবং সেই সাথে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আলতাব হোসেন বলেন, পরিমাণ করে দেখা গেছে সরকারি রাস্তার জমি তরুন, বিষু, গনেষ, নিরঞ্জনের মধ্যেই আছে। স্থানীয় ভাবে সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে নিয়ে বসেছিলাম, কিন্তু দখলদাররা মানেনি। দুই পক্ষের সমঝোতা ছাড়া রাস্তা নির্মাণ সম্ভব না।