ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
আহসানুল হক পাঁচা মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন ফার্ম রোড স্পোর্টিং একাদশ মডেল গ্রাম গঠনে তরুণদের উদ্যোগ ‘টিএফসি-ধর্মদহ’ শিক্ষা, সবুজায়ন ও ক্ষুধামুক্তির লক্ষ্যে অনন্য দৃষ্টান্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ সমাবেশে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি মির্জা ফয়সালের ঝিনাইদহ নলডাঙ্গার ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিসে দেরিতে আসার অভিযোগ কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ৮০ বছর বয়সেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভেড়ামারায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস একই মেয়ের সাথে মামা ও ভাগ্নের পরকীয়া প্রেম: এ নিয়ে ভাগ্নির হাতে মামা খু*ন, আটক ভাগ্নে মাসুদ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তদারকি জোরদারের দাবি মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত দুই মাসে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে জেলে পাঠানো হয়েছে: পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)

দশমিনায় হাসপাতাল ছাড়ছেন ডায়রিয়ার রোগীরা

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: দশমিনা উপজেলায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ভয়াবহ ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে দশমিনা উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বেড সংকটের কারনে অনেক ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্যালাইন সংকটের কারনে বাইরের ওষুধের দোকান থেকে দ্বিগুন দামে সেলাইন কিনতে হচ্ছে ডায়রিয়া রোগীদের।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত দুই মাসে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি থেকে ৯০৯ জন ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন। এছাড়াও হাসপাতালের বর্হিবিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় দের হাজার ডায়রিয়া রোগী। গতকাল বৃহস্পতিবার দশমিনা হাসপাতালে ৫০ শয্যার বিপরিতে ডায়রীয়া রোগী ৪৯ জন সহ ভর্তি রয়েছেন ৭৯ জন গুরুতর অসুস্থ রোগী।

হাসপাতালে ৫০ শয্যার মধ্যে ৫টি শয্যা করোনা রোগীদের জন্য সংরক্ষিত থাকায় ৪৫ শয্যায় প্রতিদিন ৮০ থেকে ৮৫ জন গুরুতর অসুস্থ রোগী চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। শয্যার অভাবে হাসপাতালের বারান্দায় থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে ডায়রিয়া রোগীদের। অনেক ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালের বারান্দায় থাকতে না পেরে বাড়ি চলে যাচ্ছেন নিজ ইচ্ছেতেই।

ডায়রিয়া রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্স। দশমিনা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীদের।

তিনি জানান, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত প্রতিটি ব্যাক্তির ১২ থেকে ১৫ লিটার সেলাইন প্রয়োজন হয় এত স্যালাইনের চাহিদা হাসপাতাল থেকে মেটানো সম্ভব না তাই দু তিন লিটার দেয়ার পরে বাইরে থেকে সেলাইন কিনে আনছেন রোগীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

আহসানুল হক পাঁচা মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন ফার্ম রোড স্পোর্টিং একাদশ

দশমিনায় হাসপাতাল ছাড়ছেন ডায়রিয়ার রোগীরা

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: দশমিনা উপজেলায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ভয়াবহ ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে দশমিনা উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বেড সংকটের কারনে অনেক ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্যালাইন সংকটের কারনে বাইরের ওষুধের দোকান থেকে দ্বিগুন দামে সেলাইন কিনতে হচ্ছে ডায়রিয়া রোগীদের।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত দুই মাসে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি থেকে ৯০৯ জন ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন। এছাড়াও হাসপাতালের বর্হিবিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় দের হাজার ডায়রিয়া রোগী। গতকাল বৃহস্পতিবার দশমিনা হাসপাতালে ৫০ শয্যার বিপরিতে ডায়রীয়া রোগী ৪৯ জন সহ ভর্তি রয়েছেন ৭৯ জন গুরুতর অসুস্থ রোগী।

হাসপাতালে ৫০ শয্যার মধ্যে ৫টি শয্যা করোনা রোগীদের জন্য সংরক্ষিত থাকায় ৪৫ শয্যায় প্রতিদিন ৮০ থেকে ৮৫ জন গুরুতর অসুস্থ রোগী চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। শয্যার অভাবে হাসপাতালের বারান্দায় থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে ডায়রিয়া রোগীদের। অনেক ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালের বারান্দায় থাকতে না পেরে বাড়ি চলে যাচ্ছেন নিজ ইচ্ছেতেই।

ডায়রিয়া রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্স। দশমিনা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীদের।

তিনি জানান, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত প্রতিটি ব্যাক্তির ১২ থেকে ১৫ লিটার সেলাইন প্রয়োজন হয় এত স্যালাইনের চাহিদা হাসপাতাল থেকে মেটানো সম্ভব না তাই দু তিন লিটার দেয়ার পরে বাইরে থেকে সেলাইন কিনে আনছেন রোগীরা।