ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

খুলনায় উপ-ভারতীয় দূতাবাস স্থাপনের কাজ চলছে

ফাইল ছবি

ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, খুলনা-মংলা রেললাইন চালু হলে খুলনাসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

তিনি সোমবার দুপুরে খুলনা-মংলা রেল প্রকল্পের রূপসা রেল সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা রূপসা রেল সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ভারতীয় হাই কমিশনার বাংলাদেশ রেলওয়েকে ২০১৯ সালের মধ্যেই খুলনা-মংলা রেল লাইনের কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, খুলনাতে উপ-ভারতীয় দূতাবাস স্থাপনের কাজ চলছে।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, খুলনা-কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের অর্থনীতিতে যেমন প্রভাব ফেলবে তেমনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

রূপসা রেল সেতুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন ম্যানেজার সুব্রত জানা বলেন, ভারত বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে ৩৮০১.৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো রূপসা নদীর ওপর রেল সেতুর নিমার্ণ কাজ করছে।

তিনি জানান, চলতি বছরের নভেম্বর মাসে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেল সেতুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও আর্থিক উপদেষ্টা ড. সুমিত জেরথ, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (অবকাঠামো) ড. পঙ্কজ সিং, ঢাকাস্থ ভারতের উচ্চ কমিশনের প্রথম সচিব রাজেশ ইউক (টরশব), ভারতের উচ্চ কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (বাণিজ্যিক) শ্রী শিশির কোথারি, ভারতবর্ষের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার) ভিপুল কুমার মেসারিয়া, ভারতের হাই কমিশনের এপিডব্লিউও শ্রী মনোজ কুমার যাদব, ভারতের উচ্চ কমিশনের এসএ শ্রীমতি প্রেম বাহাদুর, বাংলাদেশ রেলওয়ের জিএম ও পিডি মো. মজিবর রহমান, পিএমও’র ডিজি শ্রী সুব্রত রায়, খুলনা জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মনিরুজ্জামান।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

খুলনায় উপ-ভারতীয় দূতাবাস স্থাপনের কাজ চলছে

আপডেট টাইম : ০৬:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, খুলনা-মংলা রেললাইন চালু হলে খুলনাসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

তিনি সোমবার দুপুরে খুলনা-মংলা রেল প্রকল্পের রূপসা রেল সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা রূপসা রেল সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ভারতীয় হাই কমিশনার বাংলাদেশ রেলওয়েকে ২০১৯ সালের মধ্যেই খুলনা-মংলা রেল লাইনের কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, খুলনাতে উপ-ভারতীয় দূতাবাস স্থাপনের কাজ চলছে।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, খুলনা-কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের অর্থনীতিতে যেমন প্রভাব ফেলবে তেমনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

রূপসা রেল সেতুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন ম্যানেজার সুব্রত জানা বলেন, ভারত বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে ৩৮০১.৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো রূপসা নদীর ওপর রেল সেতুর নিমার্ণ কাজ করছে।

তিনি জানান, চলতি বছরের নভেম্বর মাসে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেল সেতুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও আর্থিক উপদেষ্টা ড. সুমিত জেরথ, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (অবকাঠামো) ড. পঙ্কজ সিং, ঢাকাস্থ ভারতের উচ্চ কমিশনের প্রথম সচিব রাজেশ ইউক (টরশব), ভারতের উচ্চ কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (বাণিজ্যিক) শ্রী শিশির কোথারি, ভারতবর্ষের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (বাংলাদেশ ও মিয়ানমার) ভিপুল কুমার মেসারিয়া, ভারতের হাই কমিশনের এপিডব্লিউও শ্রী মনোজ কুমার যাদব, ভারতের উচ্চ কমিশনের এসএ শ্রীমতি প্রেম বাহাদুর, বাংলাদেশ রেলওয়ের জিএম ও পিডি মো. মজিবর রহমান, পিএমও’র ডিজি শ্রী সুব্রত রায়, খুলনা জেলা প্রশাসক আমিন উল আহসান ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মনিরুজ্জামান।