ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
শীতের বাজারে লাল শাকের কদর বেড়েছে: ১০ টাকার শাকে লুকিয়ে আছে সুস্থ থাকার রহস্য হিজরার ঝুলন্ত ম*র*দেহ উদ্ধার পরিবার লা*শ নিতে অস্বীকৃতি, বাঘায় নকল ওষুধের কারখানায় অভিযান, এক লাখ টাকা জরিমানা ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে খলিসাকুন্ডি ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা নাগরপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ছাতারপাড়াতে প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ:টাইব্রেকারের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নওদাআজমপুরকে হারিয়ে গাছেরদাইড় ফুটবল একাদশের দুর্দান্ত জয়। স্বেচ্ছায় রক্তদান ফাউন্ডেশন কুষ্টিয়ার ১১৭ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবির চতুর্থ দিন, অফিস সাধারণ ছুটি, গ্রেফতার হচ্ছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা ভেড়ামারায় নদীভাঙন ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫০ পানচাষীকে বিনামূল্যে চাল বিতরণ সবুজকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে হাজী শরিফের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতীক ছবি।

গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে হাজী শরিফের বিরুদ্ধে মামলা


মো.আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে ২ সন্তানের জননী এক গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধুর ছেলে মো. কাওছার হোসেন বাদী হয়ে হাজী শফির উদ্দীনের (৬২) বিরুদ্ধে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৩, তারিখ ১৮.০৩.২০২১।

ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঘটনার পর থেকে হাজী শফির উদ্দিন পলাতক রয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের উখরইল গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. জোসনা বেগম গত ৫ মার্চ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে প্রতিবশীর বাড়ি থেকে বাড়ি আসছিলেন।

বাড়ির কাছে পৌঁছালে সেখানে ওঁত পেতে থাকা একই গ্রামের মৃত চেচন মন্ডলের পুত্র শফির উদ্দীন তার ব্যবহৃত বড় রুমাল দ্বারা ওই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশ্ববর্তী ছাগল রাখার ঘরে টেনে হিচড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ধর্ষিতার চিৎকারে এলাকাবাসী শফির উদ্দিনকে ধর্ষণরত অবস্থায় ধরে ফেলে।

এ সময় শফির উদ্দিন একই গ্রামের আব্বাস আলীর পুত্র স্বাক্ষী এরশাদ আলীর হাতে কামড় বসিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ধর্ষিতা গৃহবধূকে কিছু টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর থেকে হাজি শফির উদ্দীন পলাতক থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবু রায়হান সরকার।

এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি, এ ঘটনায় থানায় ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ৯(১) ধারায় মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, ওই গৃহবধুর ২টি সন্তান রয়েছে এবং অভিযুক্ত হাজি শফির উদ্দিনের ৩টি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং ৩ কন্যারই বিয়ে দিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শীতের বাজারে লাল শাকের কদর বেড়েছে: ১০ টাকার শাকে লুকিয়ে আছে সুস্থ থাকার রহস্য

গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে হাজী শরিফের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ০৬:০৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১

গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে হাজী শরিফের বিরুদ্ধে মামলা


মো.আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে ২ সন্তানের জননী এক গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধুর ছেলে মো. কাওছার হোসেন বাদী হয়ে হাজী শফির উদ্দীনের (৬২) বিরুদ্ধে মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৩, তারিখ ১৮.০৩.২০২১।

ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঘটনার পর থেকে হাজী শফির উদ্দিন পলাতক রয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের উখরইল গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. জোসনা বেগম গত ৫ মার্চ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে প্রতিবশীর বাড়ি থেকে বাড়ি আসছিলেন।

বাড়ির কাছে পৌঁছালে সেখানে ওঁত পেতে থাকা একই গ্রামের মৃত চেচন মন্ডলের পুত্র শফির উদ্দীন তার ব্যবহৃত বড় রুমাল দ্বারা ওই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশ্ববর্তী ছাগল রাখার ঘরে টেনে হিচড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ধর্ষিতার চিৎকারে এলাকাবাসী শফির উদ্দিনকে ধর্ষণরত অবস্থায় ধরে ফেলে।

এ সময় শফির উদ্দিন একই গ্রামের আব্বাস আলীর পুত্র স্বাক্ষী এরশাদ আলীর হাতে কামড় বসিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ধর্ষিতা গৃহবধূকে কিছু টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর থেকে হাজি শফির উদ্দীন পলাতক থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবু রায়হান সরকার।

এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি, এ ঘটনায় থানায় ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ৯(১) ধারায় মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, ওই গৃহবধুর ২টি সন্তান রয়েছে এবং অভিযুক্ত হাজি শফির উদ্দিনের ৩টি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং ৩ কন্যারই বিয়ে দিয়েছেন।