ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের হাসুয়ার কোপে ছোট ভাই নিহত নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ পালিত ভেড়ামারায়  ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা ভেড়ামারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন ডেঙ্গু ঠেকাতে কুষ্টিয়ায় স্কাউটসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান গাজীপুরে হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত: জাতীয় ঐক্যের আহ্বান। দৌলতপুরে বাস-আলগামন সংঘর্ষে চালক নিহত,আহত একাধিক ভেড়ামারায় ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রেজা আহমেদ বাচ্চু

বোরো ধান শুয়ে পড়ায় প্রতি বিঘায় অর্ধেক ধান দিয়েও মিলছে না শ্রমিক 

বোরো ধান শুয়ে পড়ায় প্রতি বিঘায় অর্ধেক ধান দিয়েও মিলছে না শ্রমিক 

মোহাম্মদ আককাস আলী :
দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে হাওর ও উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে, অকাল বন্যা ও বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির কারণে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান জমিতে শুয়ে পড়েছে, যা কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন সকাল অথবা বিকালে বৃষ্টি ঝরছে।
ওইসব অঞ্চলে প্রতি বিঘায় অর্ধেক ধান দিয়েও শ্রমিক মিলছে না। বোরো ধান যেন কৃষকের গলার কাঁটা। না পারছে গিলতে না পারছে বের করতে। এই বোরো ধান নিয়ে তারা এখন চোখে অন্ধকার দেখছেন। উৎপাদন খরচ তোলা তো দূরের কথা পুঁজি নিয়ে তারা এখন হতাশায়। তাদের মাথায় ঋণের বোঝা আরো ভারী হয়ে উঠেছে। হতাশা গুস্ত চাষীরা বলছেন,রোপণ থেকে শুরু করে ধান ঘরে তোলা পর্যন্ত শ্রমিক, সার, কীটনাশক ও জ্বালানির দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে।
 এ অবস্থায় কেবল ধানের দাম ভালো পেলেই লাভবান হতে পারবেন কিন্তু সেই আশা বোরা চাষীদের গুড়েবালি।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে প্রায় ৫০.৪৭ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের হাসুয়ার কোপে ছোট ভাই নিহত

বোরো ধান শুয়ে পড়ায় প্রতি বিঘায় অর্ধেক ধান দিয়েও মিলছে না শ্রমিক 

আপডেট টাইম : ০৯:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বোরো ধান শুয়ে পড়ায় প্রতি বিঘায় অর্ধেক ধান দিয়েও মিলছে না শ্রমিক 

মোহাম্মদ আককাস আলী :
দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে হাওর ও উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে, অকাল বন্যা ও বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির কারণে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান জমিতে শুয়ে পড়েছে, যা কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন সকাল অথবা বিকালে বৃষ্টি ঝরছে।
ওইসব অঞ্চলে প্রতি বিঘায় অর্ধেক ধান দিয়েও শ্রমিক মিলছে না। বোরো ধান যেন কৃষকের গলার কাঁটা। না পারছে গিলতে না পারছে বের করতে। এই বোরো ধান নিয়ে তারা এখন চোখে অন্ধকার দেখছেন। উৎপাদন খরচ তোলা তো দূরের কথা পুঁজি নিয়ে তারা এখন হতাশায়। তাদের মাথায় ঋণের বোঝা আরো ভারী হয়ে উঠেছে। হতাশা গুস্ত চাষীরা বলছেন,রোপণ থেকে শুরু করে ধান ঘরে তোলা পর্যন্ত শ্রমিক, সার, কীটনাশক ও জ্বালানির দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে।
 এ অবস্থায় কেবল ধানের দাম ভালো পেলেই লাভবান হতে পারবেন কিন্তু সেই আশা বোরা চাষীদের গুড়েবালি।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে প্রায় ৫০.৪৭ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে।