ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ৮০ বছর বয়সেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভেড়ামারায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস একই মেয়ের সাথে মামা ও ভাগ্নের পরকীয়া প্রেম: এ নিয়ে ভাগ্নির হাতে মামা খু*ন, আটক ভাগ্নে মাসুদ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তদারকি জোরদারের দাবি মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত দুই মাসে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে জেলে পাঠানো হয়েছে: পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফাইভ স্টার ক্লাবের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ৩য় ম্যাচ অনুষ্ঠিত সংবিধান মেনে চললে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না: ডা. শফিকুর রহমান ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার শ্রীপুরে ভাড়া বাসায় ইয়াবা সেবনের সময় পুলিশ সদস্য আটক ৩

রাজশাহীতে ত্রিমুখি সড়ক দুর্ঘটানায় নিহত ১৭

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ ও শহরের প্রবেশ পথ কাটাখালীতে বাস, মাইক্রোবাস ও সিএনজির ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে কাটাখালীর কাপাশিয়া এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।এতে মাইক্রোবাসে আগুন ধরে গেলে ভেতরে থাকা ১১ যাত্রী পুড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এছাড়া সিএনজির ভেতরে থাকা যাত্রীদের অনেককেই আশঙ্কাজনকভাবে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে যাওয়ার পর আরও ৬ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী আরিফুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, রাজশাহী থেকে হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। অন্যদিকে যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দিকে আসছিলো।

এছাড়া একটি সিএনজি (ইমা গাড়ি) রাজশাহী শহর থেকে বানেশ^রের দিকে যাচ্ছিলো। যাত্রীবাহী বাসসহ এই তিনটি পরিহন ঐ এলাকায় পৌঁছালে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বাসের যাত্রীদের কোনোকিছু না হলেও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সামনের দিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আগুন ধরে যায়। সেই আগুন সিএনজিতে লাগে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে মাইক্রোবাসের কেউ বের হতে না পারায় ভেতরে থাকা ১১ যাত্রীই পুড়ে মারা যায়।

এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিএনজির যাত্রীদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৬জন যাত্রী মারা গেছেন বলে জানান রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস। তিনি গণমুক্তিকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর শুনে দ্রæত তিনি দ্রæত ঘটনাস্থলে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা ১১ যাত্রীর সবাই পুড়ে মারা যান।

তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রীদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে মাইক্রোবাসটি রংপুরের বলে একটি ফোন সুত্র থেকে জানা গেছে। লাশের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তবে আগুণে পুরে যাওয়ায় সনাক্ত করা মুশকিল হয়ে হয়ে পড়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দুইজন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, তিনটি যানবাহনের এভাবে মুখোমুখি সংঘর্ষ আসলে কী কারণে হলো তা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ৮০ বছর বয়সেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড

রাজশাহীতে ত্রিমুখি সড়ক দুর্ঘটানায় নিহত ১৭

আপডেট টাইম : ০৮:২১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ ও শহরের প্রবেশ পথ কাটাখালীতে বাস, মাইক্রোবাস ও সিএনজির ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে কাটাখালীর কাপাশিয়া এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।এতে মাইক্রোবাসে আগুন ধরে গেলে ভেতরে থাকা ১১ যাত্রী পুড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এছাড়া সিএনজির ভেতরে থাকা যাত্রীদের অনেককেই আশঙ্কাজনকভাবে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে যাওয়ার পর আরও ৬ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী আরিফুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, রাজশাহী থেকে হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। অন্যদিকে যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ঢাকা থেকে রাজশাহী শহরের দিকে আসছিলো।

এছাড়া একটি সিএনজি (ইমা গাড়ি) রাজশাহী শহর থেকে বানেশ^রের দিকে যাচ্ছিলো। যাত্রীবাহী বাসসহ এই তিনটি পরিহন ঐ এলাকায় পৌঁছালে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বাসের যাত্রীদের কোনোকিছু না হলেও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সামনের দিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আগুন ধরে যায়। সেই আগুন সিএনজিতে লাগে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে মাইক্রোবাসের কেউ বের হতে না পারায় ভেতরে থাকা ১১ যাত্রীই পুড়ে মারা যায়।

এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিএনজির যাত্রীদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৬জন যাত্রী মারা গেছেন বলে জানান রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস। তিনি গণমুক্তিকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর শুনে দ্রæত তিনি দ্রæত ঘটনাস্থলে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা ১১ যাত্রীর সবাই পুড়ে মারা যান।

তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রীদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে মাইক্রোবাসটি রংপুরের বলে একটি ফোন সুত্র থেকে জানা গেছে। লাশের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তবে আগুণে পুরে যাওয়ায় সনাক্ত করা মুশকিল হয়ে হয়ে পড়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দুইজন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, তিনটি যানবাহনের এভাবে মুখোমুখি সংঘর্ষ আসলে কী কারণে হলো তা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।