ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই: পরিমনি দৌলতপুরে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ তালা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। দৌলতপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে ধর্ষণে  প্রতিবন্ধী অন্তস্বত্বা ২২ ধারার পর গ্রেপ্তার আরো দুই  নাগরপুর শহীদ ক্যাডেট স্কুল বনাম ডা. এম.এ. রেজা উচ্চ বিদ্যালয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা ভেড়ামারায় আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে তেল মজুদের অভিযোগ: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র ‎ নিত্যপণ্যের চড়া দামে দিশেহারা স্বল্প আয়ের মানুষ

হোসেনাবাদ টেকনিক্যালে একাদশ শ্রেণিতে সবাই অকৃতকার্য

হোসেনাবাদ টেকনিক্যালে একাদশ শ্রেণিতে সবাই অকৃতকার্য

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণির বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় এক জন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। পুরো শ্রেণির ব্যর্থতায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কলেজটির বিভিন্ন ট্রেড থেকে মোট ৬৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সবাই উচ্চতর গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়, ফলে কেউই একাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে পারেনি। নিয়ম অনুযায়ী তারা দ্বাদশ শ্রেণিতে উন্নীত হবে, তবে পরবর্তীতে ওই বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাব্বি বলেন, “আমরা সবাই ফেল করেছি—এটা বিশ্বাস করা কঠিন। অনেকেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছি, তবুও নম্বর পাইনি। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার চিন্তা করছি। প্র্যাকটিক্যাল মার্কস নিয়েও প্রশ্ন আছে। মনে হয়, উচ্চতর গণিতের ক্লাসে দুর্বলতা ছিল।”

এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “৬৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে—এটা অস্বাভাবিক। শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা আছে কি না, তা তদন্ত করা উচিত।”

অভিযোগ সম্পর্কে উচ্চতর গণিতের শিক্ষক মশিউর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হয়নি এবং তাদের পড়ালেখায় আগ্রহের ঘাটতি ছিল। তাই এমন ফল হয়েছে। আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না।”

কলেজের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান জানান, “চলতি বছরের বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় ৬৯ জন অংশ নিয়েছিল। সবাই উচ্চতর গণিতে অকৃতকার্য হয়েছে। গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) আমরা ফলাফল হাতে পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠবে এবং পরবর্তীতে পুনরায় ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস

হোসেনাবাদ টেকনিক্যালে একাদশ শ্রেণিতে সবাই অকৃতকার্য

আপডেট টাইম : ০৬:২১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

হোসেনাবাদ টেকনিক্যালে একাদশ শ্রেণিতে সবাই অকৃতকার্য

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ শ্রেণির বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় এক জন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। পুরো শ্রেণির ব্যর্থতায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কলেজটির বিভিন্ন ট্রেড থেকে মোট ৬৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সবাই উচ্চতর গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়, ফলে কেউই একাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে পারেনি। নিয়ম অনুযায়ী তারা দ্বাদশ শ্রেণিতে উন্নীত হবে, তবে পরবর্তীতে ওই বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাব্বি বলেন, “আমরা সবাই ফেল করেছি—এটা বিশ্বাস করা কঠিন। অনেকেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছি, তবুও নম্বর পাইনি। আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার চিন্তা করছি। প্র্যাকটিক্যাল মার্কস নিয়েও প্রশ্ন আছে। মনে হয়, উচ্চতর গণিতের ক্লাসে দুর্বলতা ছিল।”

এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “৬৯ জন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে—এটা অস্বাভাবিক। শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা আছে কি না, তা তদন্ত করা উচিত।”

অভিযোগ সম্পর্কে উচ্চতর গণিতের শিক্ষক মশিউর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হয়নি এবং তাদের পড়ালেখায় আগ্রহের ঘাটতি ছিল। তাই এমন ফল হয়েছে। আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না।”

কলেজের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান জানান, “চলতি বছরের বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় ৬৯ জন অংশ নিয়েছিল। সবাই উচ্চতর গণিতে অকৃতকার্য হয়েছে। গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) আমরা ফলাফল হাতে পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠবে এবং পরবর্তীতে পুনরায় ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।