মোঃ বেল্লাল হোসেন, দশমিনা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনায় বিয়ের পর কাজিকে পিটিযে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ হাসান সেরনিয়াবাদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় কাজীকে স্বজনরা দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এ ঘটনায় উপজেলায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় চলছে।
স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রামের মো: ফজলুল হক মেলকারের বিবাহিত মেয়ে ফাহমিদা নাসরিন চায়নার সাথে দীর্ঘদিন যাবত পরকিয়া প্রেম চলে আসছিল এ নিয়ে কয়েক দফা পারিবারিক ও স্থানীয় ভাবে শালিস মিমাংশার ঘটনা ঘটেছিল। স্থানীয় মোশারেফ মেলকার, আবু কালাম মেলকার ও ইউপি সদস্য অসীম মেলকার জানান, পরকিয়া প্রেম থেকে সরে আসতে হাসনকে ফিরে যেতে একাধিক বার বলা সত্বেও বৃহস্পতিবার রাতে ফাহমিদাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্বজনরা তাকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে বিয়েতপ রাজি হয়।
পরে ওই রাতে মেয়ের বাবার ঘরে বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়েতে উভয় পরিবারের উপস্থিতি ও সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে কাবিন রেজিষ্ট্রি করা হয়। মোঃ হাসান সেরনিয়াবাদ পরের দিন পরীক্ষা দেয়ার কথা বলে ওই রাতে সদ্য শশুর বাডি থেকে বেড়িয়ে ওই দিন দিবাগত রাতেই ছাত্রলীগের সম্পাদক লোকজন নিয়ে কাজী মাওলানা মো. খলিলুর রহমানের বাড়ি গিয়ে কাবিনপর কাগজপত্র দাবি করলে কাজী দিতে অস্বীকৃতি জানালে হাসান সেরনিয়াবাদ তার উপর হামলা চালিয়ে বেদম পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেন।
কাজী মাওলানা মো. খলিলুর রহমানের দাবি, তার উপর হামলা করে ঘর থেকে জমি ক্রয়ের নগদ তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনার পর স্বজনরা ওই কাজীকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাজীর পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগে বিষয় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান সেরনিয়াবাদের মোবাইলে একাধিক বার ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয় দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।