ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দৌলতপুরে বাস-আলগামন সংঘর্ষে চালক নিহত,আহত একাধিক ভেড়ামারায় ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রেজা আহমেদ বাচ্চু ফিলিপনগর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুর সাদ্দামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু একই জানাজায় পাশাপাশি কবরে শায়িত বাবা-ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্ধ মিল থেকে চলছে চাউল সংগ্রহ অভিযান রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতির সুস্থতায় দোয়া মাহফিল প্রতিবন্ধীর কষ্ট দেখে বাড়ালেন সাহায্যের হাত: হুইলচেয়ার উপহার দিলেন ছাত্রদল আহ্বায়ক বন্যাকবলিত মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দৌলতপুরে ৭০ পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

বিনিয়োগ বাড়াতে চীনের প্রতি এফবিসিসিআইয়ের আহ্বান

ফাইল ছবি

দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। রোববার ফেডারেশন ভবনে সফররত চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিআইটি) ৯ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় এফবিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এ আহ্বান জানান।

সিসিপিআইটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) ভাইস চেয়ারম্যান মি. লিন জিয়ং। মি. লিন বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই এবং সিসিপিআইটি, গুয়াংডং-এর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এফবিসিসিআই পরিচালক সালাহউদ্দিন আলমগীর, রেজাউল করিম রেজনু প্রমুখ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাক্স হলিডে, কর্পোরেট কর সুবিধা ইত্যাদি গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং সমুদ্র বন্দরে ( চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা) সুবিধা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীরা এ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়াও তিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কানাডাসহ বিশ্বের অনেক দেশে রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে তা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে এ দেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৯৪৯.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য চীনে রফতানি করে এবং চীন থেকে ১০১২৮.১ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। চীনে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে- ওভেন, গার্মেন্টস, চামড়াজাত পণ্য, নীটওয়্যার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ফ্রোজেন ফুড এবং প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক সামগ্রী। আর চীন থেকে মূলত টেক্সটাইল এবং টেক্সটাইল সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও ইলেক্ট্রনিকস সামগ্রী আমদানি করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতপুরে বাস-আলগামন সংঘর্ষে চালক নিহত,আহত একাধিক

বিনিয়োগ বাড়াতে চীনের প্রতি এফবিসিসিআইয়ের আহ্বান

আপডেট টাইম : ১১:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। রোববার ফেডারেশন ভবনে সফররত চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিআইটি) ৯ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় এফবিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এ আহ্বান জানান।

সিসিপিআইটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) ভাইস চেয়ারম্যান মি. লিন জিয়ং। মি. লিন বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই এবং সিসিপিআইটি, গুয়াংডং-এর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এফবিসিসিআই পরিচালক সালাহউদ্দিন আলমগীর, রেজাউল করিম রেজনু প্রমুখ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাক্স হলিডে, কর্পোরেট কর সুবিধা ইত্যাদি গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং সমুদ্র বন্দরে ( চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা) সুবিধা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীরা এ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়াও তিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কানাডাসহ বিশ্বের অনেক দেশে রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে তা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে এ দেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৯৪৯.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য চীনে রফতানি করে এবং চীন থেকে ১০১২৮.১ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। চীনে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে- ওভেন, গার্মেন্টস, চামড়াজাত পণ্য, নীটওয়্যার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ফ্রোজেন ফুড এবং প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক সামগ্রী। আর চীন থেকে মূলত টেক্সটাইল এবং টেক্সটাইল সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও ইলেক্ট্রনিকস সামগ্রী আমদানি করা হয়।