ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী ওসি ও এএসআইয়ের যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ৭১ নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করছে তাদের জনগন সঠিক জবাব দিবেন বললেন জুয়েল গতকাল গভীর রাতে ভারতের বাংলাদেশের নৌবাহিনীর অবৈধ ভারতের প্রবেশ ঘোড়াঘাটে অনন্য সাফল্য, একসঙ্গেই মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেন যমজ দুই বোন যশোরে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত একমাস ৮ দিনের মাথায় শান্তিরক্ষা মিশন থেকে নিথর দেহ হয়ে ফিরছেন কর্পোরাল মোঃ মাসুদ রানা  অবশেষে বদলী হলেন সিলেট টিটিসি থেকে ক্ষমতাসীন ইন্সট্রাক্টর ওমর ফারুক তারুণ্যের ভাবনা আগামীর ভেড়ামারা কেমন চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ভেড়ামারাতে  তিনদিন ব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন

কানাইপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে ইউএনও মাসুম রেজা

বিধান মন্ডল ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ছাইবাড়িয়া গ্রামে শনিবার দিবাগত রাতে কৃষক দিলিপ দাস ও দিজেন দাসের যৌথ গরুর খামার সহ মৌসুমী ফসল আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। এ সময় আগুনে পুড়েছে উন্নত জাতের দুইটি দুধেল গাভীসহ মোট ছয়টি গরু ও পেয়াজ, ধান, পাট সহ অন্যান্য সামগ্রী।

যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মতো। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ওই কৃষকদের আহাজারিতে সাইবাড়িয়া গ্রামে শোকের বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। দিলিপ ও দিজেন উক্ত গ্রামের নিমাই চন্দ্র দাসের ছেলে।

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর পাওয়া মাত্রই ব্যক্তি উদ্যোগে স্থানীয় লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিকভাবে ঐ পরিবারের জন্য ১ মাসের পুষ্টিকর খাদ্য চাউল, ডাউল, নুডুছ সহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে রাতের অন্ধকারে ছুটে এসেছেন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে।

এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত খামার পরিদর্শন করে তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। খামারে থাকা আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটা গরুর চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত সহ নতুন ঘর নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি আরো জানান, অতি দ্রুতই তাদেরকে নতুন ঘর নির্মাণ সহ পুনরায় গবাদিপশুর ব্যবস্থা করে দিবেন। এছাড়া ইউএনও মাসুম রেজা ব্যক্তিগতভাবে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিবেন এবং সদর উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দিলিপ জানান, শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রতিবেশী নাসিরের ডাক শুনে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়াল ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে প্রতিবেশীদের নিয়ে অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি কিন্তু এরই মধ্যে গোয়াল ঘর পুড়ে যায়। এ সময় খামারে থাকা ছয়টি গরু আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে দুইটি বিদেশি দুধেল গাভী ছিল।

এছাড়া গোয়াল ঘরে মৌসুম ফসল পেঁয়াজ, ধান ও পাট রাখা ছিল, সেগুলোও পুড়ে ছাই হয়। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০লক্ষ টাকা। সব হারিয়ে আমি এখন পথে বসে গেছি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ক সার্কিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোছাঃ নুরুন্নাহার বেগম, ইউপি সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তরুছায়া ফাউন্ডেশনের সদস্য বৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ ইলেকট্রনিক মিডিয়ার দায়িত্বশীল সাংবাদিকগন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী ওসি ও এএসআইয়ের

কানাইপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে ইউএনও মাসুম রেজা

আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিধান মন্ডল ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ছাইবাড়িয়া গ্রামে শনিবার দিবাগত রাতে কৃষক দিলিপ দাস ও দিজেন দাসের যৌথ গরুর খামার সহ মৌসুমী ফসল আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। এ সময় আগুনে পুড়েছে উন্নত জাতের দুইটি দুধেল গাভীসহ মোট ছয়টি গরু ও পেয়াজ, ধান, পাট সহ অন্যান্য সামগ্রী।

যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মতো। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ওই কৃষকদের আহাজারিতে সাইবাড়িয়া গ্রামে শোকের বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। দিলিপ ও দিজেন উক্ত গ্রামের নিমাই চন্দ্র দাসের ছেলে।

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর পাওয়া মাত্রই ব্যক্তি উদ্যোগে স্থানীয় লোকজনের সাথে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিকভাবে ঐ পরিবারের জন্য ১ মাসের পুষ্টিকর খাদ্য চাউল, ডাউল, নুডুছ সহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে রাতের অন্ধকারে ছুটে এসেছেন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে।

এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত খামার পরিদর্শন করে তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। খামারে থাকা আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটা গরুর চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত সহ নতুন ঘর নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। তিনি আরো জানান, অতি দ্রুতই তাদেরকে নতুন ঘর নির্মাণ সহ পুনরায় গবাদিপশুর ব্যবস্থা করে দিবেন। এছাড়া ইউএনও মাসুম রেজা ব্যক্তিগতভাবে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিবেন এবং সদর উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দিলিপ জানান, শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রতিবেশী নাসিরের ডাক শুনে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়াল ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে প্রতিবেশীদের নিয়ে অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি কিন্তু এরই মধ্যে গোয়াল ঘর পুড়ে যায়। এ সময় খামারে থাকা ছয়টি গরু আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে দুইটি বিদেশি দুধেল গাভী ছিল।

এছাড়া গোয়াল ঘরে মৌসুম ফসল পেঁয়াজ, ধান ও পাট রাখা ছিল, সেগুলোও পুড়ে ছাই হয়। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০লক্ষ টাকা। সব হারিয়ে আমি এখন পথে বসে গেছি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ক সার্কিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোছাঃ নুরুন্নাহার বেগম, ইউপি সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তরুছায়া ফাউন্ডেশনের সদস্য বৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ ইলেকট্রনিক মিডিয়ার দায়িত্বশীল সাংবাদিকগন।