1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০১:০৩ অপরাহ্ন

সৈয়দপুরে ২৪ ঘন্টাতেই যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
গ্রেফতারকৃত আসামী লুৎফর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে। সে র্দীঘদিন থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ধলাগাছ গ্রামে বসবাস করছিলেন।

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: গৃহবধুসহ শিশু অপহরণ মামলায় যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে আদালতের রায়ের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামী লুৎফর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে। সে র্দীঘদিন থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ধলাগাছ গ্রামে বসবাস করছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টায় তাকে নিজ বাড়ীতে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৬ বছর পর ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে নীলফামারীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আহসান তারেক তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আসামি লুৎফর রহমান পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ বিচারক।

আদালতের রায় হাতে পাওয়ার পর সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে আসামীকে গ্রেফতার করতে এস.আই সাইদুর রহমান, এ.এস.আই শ্রী রঞ্জনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তাকে ওই এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত খান বলেন, আসামীর ওয়ারেন্ট পাওয়ার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আসামী তার নিজ বাড়ীতে অবস্থান করছে।

সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে ওই দিন বিকেলেই তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ধলাগাছ এলাকার রাজমিস্ত্রি মতিয়ার রহমানের স্ত্রী ছাবিয়া খাতুনকে (২২) নানারকম প্রলোভন দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দিতেন তার প্রতিবেশী ওই আসামী। এতে রাজি না হওয়ায় ২০০৪ সালের ১০ জুন দুপুরে গৃহবধূ ও তার শিশু কন্যাকে অপহরণ করেন তিনি। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে লুৎফর রহমানকে আসামি করে ২০০৪ সালের ১৬ জুন সৈয়দপুর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে থানার উপ-পরিদর্শক বাবুল আক্তার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটের ভিত্তিতে ২০০৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/৩) এর ৭ ধারার অপরাধ বিচারার্থে আমলে নেয় আদালত। এর পর ২০০৮ সালের ১২ মে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ