ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
যশোরে মহান বিজয় দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত নওগাঁয় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সম্মানে সংবর্ধনা যশোরের ছাত্রনেতার হাত ধরে ৩০ টি পরিবার পানিবন্দি থেকে মুক্তি পেল। লালপুরে জামায়াতের বিজয় র‍্যালি- স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী ওসি ও এএসআইয়ের যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ৭১ নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করছে তাদের জনগন সঠিক জবাব দিবেন বললেন জুয়েল গতকাল গভীর রাতে ভারতের বাংলাদেশের নৌবাহিনীর অবৈধ ভারতের প্রবেশ ঘোড়াঘাটে অনন্য সাফল্য, একসঙ্গেই মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেন যমজ দুই বোন যশোরে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে অসয়হায় ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: “আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে নীলফামারীতে ৬৩৭ টি অসয়হায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই। চার দিকে ইটের দেয়াল এবং মাথার উপর সবুজ টিনের ছাউনি তৈরী ঘর যেনো উঁকি দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রথম ধাপে নীলফামারীর সদরে ৯৯টি, সৈয়দপুরে ৩৪টি, জলঢাকায় ১৪১টি, ডোমারে ৩৮টি, ডিমলায় ১৮৫টি এবং কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ১৪০টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারী খাস জমিতে তৈরী এ সকল সেমিপাকা বসত ঘরে রয়েছে দুটি কক্ষ ও একটি করে বারান্দা, বাথরুম ও রান্নাঘর।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকে প্রধান করে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রাখা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের। কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত নির্মাণাধীন কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ন্ত্রণে কর্ম এলাকা পরিদর্শন করছেন। ইতোমধ্যে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, ষাটার্দ্ধ প্রবীণ ভূমিহীন ব্যক্তি হিসেবে যারা ঘরগুলা পাবেন তাদের বাছাইও করা হয়েছ। নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার বলেন, কাজের মান শতভাগ ঠিক রাখতে আমরা কোন আপষ করছিনা।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বলেন, আমরা নিয়মিত কাজগুলো তদারকি করছি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেয়া এই প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই উপকারভোগীদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দিতে পারবো।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মহান বিজয় দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে অসয়হায় ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই

আপডেট টাইম : ০৬:১১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: “আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে নীলফামারীতে ৬৩৭ টি অসয়হায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোজার ঠাঁই। চার দিকে ইটের দেয়াল এবং মাথার উপর সবুজ টিনের ছাউনি তৈরী ঘর যেনো উঁকি দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রথম ধাপে নীলফামারীর সদরে ৯৯টি, সৈয়দপুরে ৩৪টি, জলঢাকায় ১৪১টি, ডোমারে ৩৮টি, ডিমলায় ১৮৫টি এবং কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ১৪০টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারী খাস জমিতে তৈরী এ সকল সেমিপাকা বসত ঘরে রয়েছে দুটি কক্ষ ও একটি করে বারান্দা, বাথরুম ও রান্নাঘর।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকে প্রধান করে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রাখা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের। কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত নির্মাণাধীন কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ন্ত্রণে কর্ম এলাকা পরিদর্শন করছেন। ইতোমধ্যে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, ষাটার্দ্ধ প্রবীণ ভূমিহীন ব্যক্তি হিসেবে যারা ঘরগুলা পাবেন তাদের বাছাইও করা হয়েছ। নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার বলেন, কাজের মান শতভাগ ঠিক রাখতে আমরা কোন আপষ করছিনা।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ বলেন, আমরা নিয়মিত কাজগুলো তদারকি করছি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেয়া এই প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই উপকারভোগীদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দিতে পারবো।