ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ভেড়ামারায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’-এর শুভ উদ্বোধন ‎ ভেড়ামারায় অক্সফোর্ড কিন্ডারগার্টেন স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শ্রমিক আন্দোলনে হামলা-ভাঙচুর বন্ধে দফায় দফায় আশুলিয়ায় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নাগরপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন-২০২৬ এর মনোনয়নপত্র বিক্রয় শুরু, প্রথম দিনেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভিড় দৌলতপুরে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন করলেন এমপি বাচ্চু মোল্লা দৌলতপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তালগাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ১ বাঘায় বেশি দামে এলপিজি বিক্রি ও নদীর তীরের মাটি কাটার অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান দৌলতপুরে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন নাগরপুরে কেন্দ্রীয় ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার নবনির্মিত চারতলা ভবনের শুভ উদ্বোধন কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার*

সৈয়দপুরে তরমুজের বাজারে আগুন, পিস হিসেবে কিনে কেজিতে বিক্রি

রেজা মাহমুদ,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: কৃষি বিপণন আইন অমান্য করে কৃষকের কাছ থেকে পিস হিসেবে কিনে বাজারে কেজি দরে বিক্রি করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের তরমুজ ব্যবসায়ীরা। এতে কৃষক ও সাধারণ ক্রেতারা ঠকলেও লাভবান হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এছাড়া তারা সিন্ডিকেট করে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি তরমুজের দাম বাড়িয়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা টাকা।

বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকাকেই দায়ি করছে সাধারণ ক্রেতারা কৃষিপন্য বিপনন আইন অনুযায়ী কেজি বা পিস যেভাবেই পন্য কিনবেন সেভাবেই বিক্রি করতে হবে। ওই আইন আরও বলা হয়েছে ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি তিন থেকে পাঁচ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন না।

বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। অথচ গত সপ্তাহেই তা ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তরমুজ ক্রেতা শহরের ইসলাম বাগ এলাকার বাসিন্দা ইসমত আরা বলেন, গতকাল আমার ৫ বছরের ছেলে ইমরান পাশের বাড়ির এক ছেলের তরমুজ খাওয়া দেখে বায়না ধরেছে তরমুজ খাওয়ার। কিন্তু ৫ কেজি ওজনের একটি তরমুজের দাম চাইছে ৩৫০ টাকা।

আমাদের মত নিম্নবিত্ত মানুষ কিভাবে এত টাকা দিয়ে একটি তরমুজ কিনে খাবে? জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা বলেন, সব জায়গায় কেজিতেই বিক্রি করে। তাই আমরাও কেজিতে বিক্রি করি। ছোট বড় মিলিয়ে একশ তরমুজ কিনি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়। লকডাউনে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, তাছাড়া কুলি চার্জসহ আরো নানান খরচও আছে। ছোট তরমুজগুলো বিক্রিতে লাভ নেই।

যা লাভ করি বড় তরমুজেই। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দীনের কাছে মুঠোফনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে তরমুজ খেটে-খাওয়া মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তরমুজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে খুব শিগগিরি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার কথা জানান তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’-এর শুভ উদ্বোধন ‎

সৈয়দপুরে তরমুজের বাজারে আগুন, পিস হিসেবে কিনে কেজিতে বিক্রি

আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল ২০২১

রেজা মাহমুদ,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: কৃষি বিপণন আইন অমান্য করে কৃষকের কাছ থেকে পিস হিসেবে কিনে বাজারে কেজি দরে বিক্রি করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের তরমুজ ব্যবসায়ীরা। এতে কৃষক ও সাধারণ ক্রেতারা ঠকলেও লাভবান হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এছাড়া তারা সিন্ডিকেট করে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি তরমুজের দাম বাড়িয়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা টাকা।

বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকাকেই দায়ি করছে সাধারণ ক্রেতারা কৃষিপন্য বিপনন আইন অনুযায়ী কেজি বা পিস যেভাবেই পন্য কিনবেন সেভাবেই বিক্রি করতে হবে। ওই আইন আরও বলা হয়েছে ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি তিন থেকে পাঁচ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন না।

বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। অথচ গত সপ্তাহেই তা ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তরমুজ ক্রেতা শহরের ইসলাম বাগ এলাকার বাসিন্দা ইসমত আরা বলেন, গতকাল আমার ৫ বছরের ছেলে ইমরান পাশের বাড়ির এক ছেলের তরমুজ খাওয়া দেখে বায়না ধরেছে তরমুজ খাওয়ার। কিন্তু ৫ কেজি ওজনের একটি তরমুজের দাম চাইছে ৩৫০ টাকা।

আমাদের মত নিম্নবিত্ত মানুষ কিভাবে এত টাকা দিয়ে একটি তরমুজ কিনে খাবে? জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা বলেন, সব জায়গায় কেজিতেই বিক্রি করে। তাই আমরাও কেজিতে বিক্রি করি। ছোট বড় মিলিয়ে একশ তরমুজ কিনি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়। লকডাউনে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, তাছাড়া কুলি চার্জসহ আরো নানান খরচও আছে। ছোট তরমুজগুলো বিক্রিতে লাভ নেই।

যা লাভ করি বড় তরমুজেই। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দীনের কাছে মুঠোফনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে তরমুজ খেটে-খাওয়া মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তরমুজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে খুব শিগগিরি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার কথা জানান তিনি।