ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ৭১ নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করছে তাদের জনগন সঠিক জবাব দিবেন বললেন জুয়েল গতকাল গভীর রাতে ভারতের বাংলাদেশের নৌবাহিনীর অবৈধ ভারতের প্রবেশ ঘোড়াঘাটে অনন্য সাফল্য, একসঙ্গেই মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেন যমজ দুই বোন যশোরে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত একমাস ৮ দিনের মাথায় শান্তিরক্ষা মিশন থেকে নিথর দেহ হয়ে ফিরছেন কর্পোরাল মোঃ মাসুদ রানা  অবশেষে বদলী হলেন সিলেট টিটিসি থেকে ক্ষমতাসীন ইন্সট্রাক্টর ওমর ফারুক তারুণ্যের ভাবনা আগামীর ভেড়ামারা কেমন চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ভেড়ামারাতে  তিনদিন ব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন মানবসেবায় রক্তদান কর্মসূচি ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি।

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে স্বাস্থ্য স্যানিটেশন ও আবাসন প্রকল্পের নামে ৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

আপডেট টাইম : ১০:১৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কুষ্টিয়া দৌলতপুর ৫০০ বছরের পুরোনো একটি তেঁতুল গাছ এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রাচীন গাছটি এখনো প্রাণবন্ত ও ফল দেয়। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের তালবড়িয়া কালিদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এ গাছটি স্থানীয়দের জন্য শুধু ঐতিহ্যের নিদর্শনই নয়; তাদের পরম যত্নের এই গাছে এখনো ফুল ফোটে, ফল ধরে; আশ্রয় পেতে বাসা বাঁধে পাখি। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে অন্তত কয়েকশ পাখি বাসা বাঁধে এ গাছে। ডিম পাড়ে; বাচ্চা ফোটায়।

ছানাগুলো বড় হয়ে একসময় উড়ে চলে যায়। পুরো প্রজননকাল নিরাপদে কাটায় পাখিগুলো। স্থানীয়রা এ গাছের বয়স ‘কমপক্ষে ৫০০ বছর’ বলে মত দিয়েছেন। গাছটি ‘ভৌতিক, জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এ গাছ শুধু আমাদের এলাকার গর্বই নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যও।পরিবেশের জন্য ও গাছটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রাচীন গাছগুলো রক্ষা করা।