1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাপাহারে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক মহড়া অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার কমলগঞ্জে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাবে ৩১ হাজার শিশু কমলগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠানে টাকা জরিমানা আদায় বেনাপোলে ডিবি পুলিশের অভিযান ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-২ সালথায় আ‌লো‌চিত হা‌মিদ হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেফতার কুষ্টিয়া জিয়ারখী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত কমলাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলরুমে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত বেনাপোলে রপ্তানি গেট থেকে মাদক ও দুইটি ট্রাক সহ আটক-২ দশমিনায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন এডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা। প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় সংবাদকর্মীদের মানববন্ধন বেগম খালেদা জিয়া আইনি প্রক্রিয়ায় নয়, প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতায় মুক্ত হয়েছেনঃ মাহবুব উল আলম হানিফ

অবহেলিত রেলওয়ে

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
ফাইল ছবি

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় অনুমোদিত ৩ হাজার ১৭১ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ২৮টি উপকারখানায় (শপ) কর্মরত আছেন ১ হাজার ২০৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ জনবল ঘাটতি ১ হাজার ৯৬৭ জন। অনেকে কমিশন পাওয়ার আশায় দেশে যন্ত্রপাতি না বানিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি করতে বেশি উৎসাহী।

কোনো কারখানা কি দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি রেখে চলতে পারে? কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ে বলে কথা। আড়াই দশক আগে রেলওয়েতে সোনালি করমর্দনের মাধ্যমে রেলওয়ের লোকবল কমানো হয়েছিল। সেটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত—মাথাব্যথা সারানোর নামে মাথা কেটে ফেলা।

রেলওয়ের প্রতি আগের সরকারগুলোর অবহেলা এতটাই প্রকট ছিল যে তারা মন্ত্রণালয়টি তুলে দিয়ে একটি বিভাগে রূপ দিয়েছিল। এখন আলাদা রেলপথ মন্ত্রণালয় হলেও আগের বদভ্যাস কাটাতে পারেননি রেলওয়ের পদাধিকারীরা। যেখানে একটি কারখানায় অনুমোদিত জনবলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি, সেখানে রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার আগ্রহী দাবি করা হাস্যকর। প্রতিবেশী ভারতে যখন রেলপথের সেবা বাড়ানো হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে রেলওয়ে সংকুচিত করা আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।

রেলওয়ের আয় বাড়াতে হলে এর যাত্রীসেবার মানের পাশাপাশি রেলপথের দৈর্ঘ্যও বাড়াতে হবে। বর্তমানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সীমিত লোকবল দিয়ে মাসে যদি গড়ে ২৬টি কোচ ও ২৫টি মালবাহী ওয়াগন মেরামত এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ রকমের যন্ত্রাংশও তৈরি সম্ভব হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় লোকবল থাকলে অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন মেরামত ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা সম্ভব হতো। দেশে এসব রেলওয়ে সরঞ্জাম তৈরি হলে রেলওয়ে যেমন স্বাবলম্বী হবে, তেমনি মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।

অবিলম্বে সৈয়দপুর কারখানায় অনুমোদিত পদে লোক নিয়োগ করে এর উৎপাদন বাড়ানো হোক। রেলওয়েকে স্বাবলম্বী করতে হলে এর বিকল্প নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ