1. [email protected] : admi2017 :
  2. [email protected] : Daily NewsBangla : Daily NewsBangla
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দূর্গোৎসব উপলক্ষ্যে মন্ডপে আফিল উদ্দিন এমপি’র নগদ সহযোগিতা বিলুপ্তির পথে লাঙ্গলের হাল সাপাহারে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে ফায়ার সার্ভিসের ফায়ারম্যান আটক ইউপি সদস্য কওছার আলীর ঘেরের পাড়ে গাঁজার  চাষ বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ্ এর ১৩০ তম তিরোধান দিবসের সকল অনুষ্ঠান  স্থগিত করা হয়েছে। ত্রিশালে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিট পুলিশিং এর উদ্যোগে সমাবেশের দৌলতপুরে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে হাত বদলে সবজির দাম বাড়ছে দ্বিগুণ সালথায় বিট পুলিশিং ও নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডাব বিক্রিতে চলে দশমিনায় মানিকের সংসার

ডেইলী নিউজ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: গরম কিংবা শীত সব ঋতুতেই ডাবের পানির সমান কদর রয়েছে। তবে গত কয়েক দিনের গরমে পটুয়াখালীর দশমিনায় ডাবের কদর অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেড়ে চলছে। তাইতো পথেঘাটে পিপাসা নিবারণের জন্য সচেতন মানুষ বেছে নেন ডাবের পানি। পথচারীদের মতে, উপজেলায় যত পানীয় পাওয়া যায় তার মধ্যে ডাবের পানিই সবচেয়ে নিরাপদ।

তাই অনেক ক্ষেত্রে কোমল পানীয়র বদলেও তারা বেছে নেন ডাবের পানি। গ্রাম ঘুরে ঘুরে ডাব কেনা, গাছ থেকে পাড়ানো ও গাড়িতে ওঠানো উপজেলায় পাইকারি বিক্রি ও খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে বহু মানুষ জড়িত। উপজেলায় অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন ডাব বিক্রির পেশা। ডাবের ওপর নির্ভর করে সংসার চলছে অনেকেরই। জনগুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন সড়কে কিছুদূর পরপরই চোখে পড়ে ভ্যানে কওে ও দোকানীদের দোকানের সামনে ডাব বিক্রির দৃশ্য। উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে ভ্যানে করে ডাব বিক্রি করছিলেন মোঃ মানিক।

তিনি ৪বছর ধরে ডাবের ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসায় জড়িত থাকার কারণে তিনি ডাব হাতে নিয়েই বুঝতে পারেন কোনটায় কতটুকু পানি আছে, কোনটায় সর বা শাঁস হয়েছে, কোনটার শাঁস শক্ত হয়েছে, কোনটায় পানি কম। ডাব বিক্রেতা মানিক জানান, ৪ বছর আগে এক শ’ ডাব কিনতেন ১৮০০ টাকায় আর এখন একটু বড় সাইজের এক শ’ ডাব কিনতে অন্তত তিন হাজার টাকা লাগে।

ডাব বিক্রিতে তার খুব সুনাম রয়েছে। অনেকেই তার কাছ থেকে ডাব কিনে খান। মানিক এর বাড়ি উপজেলার সদও ইউনিয়নের দশমিনা গ্রামে। মানিক জানান, ডাবের ব্যবসা করেই সংসারের খরচ এবং ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া চলছে। যা আয় করেন খরচ হয়ে যায়। অতিরিক্ত কিছু জমাতে পারেননি। তার কাছে সবচেয়ে বড় একটি ডাবের দাম ৫৫ টাকা। তাতে সাড়ে তিন থেকে চার গ্লাস পানি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ